ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 18

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় একটি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি অভিমুখে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথাও জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

শুক্রবার (৫ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, হরমুজ এলাকার দিকে ছোড়া ইরানের চারটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। এরপর ইরানের গোরুক ও কাশেম দ্বীপ এলাকার উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের কাঠামোগত বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা আজ

সেন্টকমের দাবি, ভূপাতিত ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক নৌযান চলাচলের জন্য সম্ভাব্য হুমকি তৈরি করছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যেই রাডার স্থাপনাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

পূর্ববর্তী সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে মার্কিন বাহিনী জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশে বিমানবন্দর, দূতাবাস, জ্বালানি স্থাপনা এবং মার্কিন কূটনৈতিক মিশনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।

সংঘাতের ওই সময়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং সাবেক শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলি লারিজানিসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যু ঘটে বলে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। তবে যুদ্ধকালেও বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে ইরান।

পরবর্তীতে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হলে গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্যমতে, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেননি।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও দুই দেশের নেতাদের বক্তব্যে প্রয়োজন হলে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ০১:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় একটি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি অভিমুখে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথাও জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

শুক্রবার (৫ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, হরমুজ এলাকার দিকে ছোড়া ইরানের চারটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। এরপর ইরানের গোরুক ও কাশেম দ্বীপ এলাকার উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৬

সেন্টকমের দাবি, ভূপাতিত ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক নৌযান চলাচলের জন্য সম্ভাব্য হুমকি তৈরি করছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যেই রাডার স্থাপনাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

পূর্ববর্তী সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে মার্কিন বাহিনী জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশে বিমানবন্দর, দূতাবাস, জ্বালানি স্থাপনা এবং মার্কিন কূটনৈতিক মিশনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।

সংঘাতের ওই সময়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং সাবেক শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলি লারিজানিসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যু ঘটে বলে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। তবে যুদ্ধকালেও বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে ইরান।

পরবর্তীতে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হলে গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্যমতে, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেননি।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও দুই দেশের নেতাদের বক্তব্যে প্রয়োজন হলে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।