ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইসলামাবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনার পথে বড় অগ্রগতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 112

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান সংঘাত নিরসনে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশন নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
শুক্রবার রাতে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলসহ তিনি সেখানে পৌঁছালে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, এটি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রে একটি প্রভাবশালী পদক্ষেপ হতে পারে।

আরও পড়ুন  খামেনিকে অসম্মান বন্ধের আহ্বান: ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সফরকালে আরাঘচি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নানাবিধ কৌশল নিয়ে বৈঠকে বসবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় এবং আঞ্চলিক বিষয়ে পরামর্শ করাই তার এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে তেহরানের প্রতিনিধিদের আগমনের সমান্তরালে হোয়াইট হাউস থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাওয়া গেছে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রভাবশালী উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার আজ শনিবার আলোচনার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সফরে আসছেন।

একই সময়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের প্রতিনিধিদের পাকিস্তানে অবস্থান করাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে ধারাবাহিক টেলিফোন আলাপের পরই এই আলোচনার পথ সুগম হয়েছে।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেবল পাকিস্তান সফর করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না; ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষে তিনি রাশিয়া ও ওমান সফরেও যাবেন। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করাই এই কূটনৈতিক সফরের মূল উদ্দেশ্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তানের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের এই পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ উপস্থিতি চলমান যুদ্ধাবস্থা অবসানের লক্ষ্যে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসলামাবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনার পথে বড় অগ্রগতি

আপডেট সময় ০৯:৫০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান সংঘাত নিরসনে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশন নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
শুক্রবার রাতে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলসহ তিনি সেখানে পৌঁছালে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, এটি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রে একটি প্রভাবশালী পদক্ষেপ হতে পারে।

আরও পড়ুন  শান্তি প্রচেষ্টায় তুরস্ক সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নতুন সমাধানের ইঙ্গিত?

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সফরকালে আরাঘচি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নানাবিধ কৌশল নিয়ে বৈঠকে বসবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় এবং আঞ্চলিক বিষয়ে পরামর্শ করাই তার এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে তেহরানের প্রতিনিধিদের আগমনের সমান্তরালে হোয়াইট হাউস থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাওয়া গেছে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রভাবশালী উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার আজ শনিবার আলোচনার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সফরে আসছেন।

একই সময়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের প্রতিনিধিদের পাকিস্তানে অবস্থান করাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে ধারাবাহিক টেলিফোন আলাপের পরই এই আলোচনার পথ সুগম হয়েছে।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেবল পাকিস্তান সফর করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না; ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষে তিনি রাশিয়া ও ওমান সফরেও যাবেন। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করাই এই কূটনৈতিক সফরের মূল উদ্দেশ্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তানের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের এই পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ উপস্থিতি চলমান যুদ্ধাবস্থা অবসানের লক্ষ্যে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।