ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’র আত্মপ্রকাশ শান্তি আলোচনা করতে আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে যাচ্ছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বেলজিয়াম—ইউরোপের হৃদয়ে ইতিহাস, রাজনীতি ও সংস্কৃতির মিলন পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্বের আবহেই বাইবেল পাঠের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প কুড়িগ্রামে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান এক মাসে দ্বিতীয়বার বাড়ল এলপিজির দাম, সিলিন্ডার প্রতি ২১২ টাকা

শান্তি আলোচনা করতে আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে যাচ্ছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 13

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সংঘাতের আবহেও দেশটির সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, শান্তি আলোচনার জন্য তাঁর প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, “আমার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। আগামীকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় তাঁরা সেখানে পৌঁছাবেন। আমরা একটি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি এবং আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে।”

আরও পড়ুন  আলোচনার ইঙ্গিত ইরানের, তবে আগেই পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

তবে আলোচনার পাশাপাশি কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরান যদি এই প্রস্তাব গ্রহণ না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংস করে দেবে। আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের সঙ্গে “ভদ্র আচরণের দিন শেষ” হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে।

অন্যদিকে, এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ট্রাম্প তাঁকে বলেছেন, “চুক্তিটি হবেই—সহজভাবে হোক বা কঠিনভাবে।”

সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার জন্য পাকিস্তানকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া এবং একই সাথে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া ট্রাম্পের চিরাচরিত ‘প্রেশার ট্যাকটিক’ বা চাপ সৃষ্টির রাজনীতিরই অংশ। উল্লেখ্য, এই উত্তেজনার মাঝেই উত্তর কোরিয়াও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

বিবিসি ও আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি নাকি আরও বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তি আলোচনা করতে আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে যাচ্ছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সংঘাতের আবহেও দেশটির সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, শান্তি আলোচনার জন্য তাঁর প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, “আমার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। আগামীকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় তাঁরা সেখানে পৌঁছাবেন। আমরা একটি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি এবং আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে টিকা কমিটির সব সদস্যকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তবে আলোচনার পাশাপাশি কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরান যদি এই প্রস্তাব গ্রহণ না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংস করে দেবে। আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের সঙ্গে “ভদ্র আচরণের দিন শেষ” হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে।

অন্যদিকে, এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ট্রাম্প তাঁকে বলেছেন, “চুক্তিটি হবেই—সহজভাবে হোক বা কঠিনভাবে।”

সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার জন্য পাকিস্তানকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া এবং একই সাথে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া ট্রাম্পের চিরাচরিত ‘প্রেশার ট্যাকটিক’ বা চাপ সৃষ্টির রাজনীতিরই অংশ। উল্লেখ্য, এই উত্তেজনার মাঝেই উত্তর কোরিয়াও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

বিবিসি ও আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি নাকি আরও বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা হবে।