ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু

ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 137

ছবি সংগৃহীত

 

ভোলার সদর উপজেলায় গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী নাছিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা এবং তার সাত বছরের শিশু সন্তানকে জখম করার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. জিহাদকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত জিহাদ সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়ির মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিহাদ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা কাপড় এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আজ আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  নিজ বাসা থেকে মার্কিন তারকা দম্পতির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে শিবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়িতে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। স্বামী মধ্যপ্রাচ্যে থাকায় সাত বছরের ছেলে আবিরকে নিয়ে নির্মাণাধীন বাড়িতে থাকতেন নাছিমা বেগম। ঘটনার রাতে মা-ছেলে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকাকালীন জিহাদ ঘরে ঢুকে তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই নাছিমার মৃত্যু হয় এবং শিশু আবির গুরুতর আহত হয়। পরদিন সকালে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। বর্তমানে শিশু আবির ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, “তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও পুলিশের একাধিক টিমের তৎপরতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত নাছিমার চাচা মো. নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
প্রাথমিকভাবে চুরির বাধা দেওয়ায় এই হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো পূর্ব শত্রুতা ছিল— তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকায় এই ঘটনার পর থেকে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

ভোলার সদর উপজেলায় গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী নাছিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা এবং তার সাত বছরের শিশু সন্তানকে জখম করার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. জিহাদকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত জিহাদ সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়ির মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিহাদ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা কাপড় এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আজ আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  রাজশাহীতে ছেলের হাতে প্রাণ গেল মায়ের

উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে শিবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়িতে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। স্বামী মধ্যপ্রাচ্যে থাকায় সাত বছরের ছেলে আবিরকে নিয়ে নির্মাণাধীন বাড়িতে থাকতেন নাছিমা বেগম। ঘটনার রাতে মা-ছেলে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকাকালীন জিহাদ ঘরে ঢুকে তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই নাছিমার মৃত্যু হয় এবং শিশু আবির গুরুতর আহত হয়। পরদিন সকালে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। বর্তমানে শিশু আবির ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, “তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও পুলিশের একাধিক টিমের তৎপরতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত নাছিমার চাচা মো. নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
প্রাথমিকভাবে চুরির বাধা দেওয়ায় এই হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো পূর্ব শত্রুতা ছিল— তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকায় এই ঘটনার পর থেকে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।