ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 151

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে কমলা হ্যারিস বলেন, “নেতানিয়াহুর উস্কানিতে ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন যা আমেরিকার সাধারণ জনগণ চায় না। ট্রাম্প কেবল নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য মার্কিন সেনাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্প এমন একটি ধারণা তৈরি করতে চান যেন তিনি ইচ্ছেমতো যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে কমলা হ্যারিস একে আমেরিকার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, নির্মম ও অদক্ষ’ সরকার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি দেশের স্বার্থের চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু নেতার ইচ্ছাপূরণকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্ক: ট্রাম্প কি আত্মসমর্পণে বাধ্য করছেন? সিদ্ধান্তে নতুন টানাপড়েন

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর অনুসারীরা বরাবরই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে যে আমাকে (ট্রাম্পকে) কী করতে হবে তা অন্য কেউ বলে দিতে পারে?” তিনি নিজেকে সব সময় ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অনুসারী হিসেবে দাবি করেন।

আসন্ন নির্বাচনের আগে হ্যারিসের এই বক্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে দুই দলের বিপরীতমুখী অবস্থান নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা

আপডেট সময় ১২:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে কমলা হ্যারিস বলেন, “নেতানিয়াহুর উস্কানিতে ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন যা আমেরিকার সাধারণ জনগণ চায় না। ট্রাম্প কেবল নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য মার্কিন সেনাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্প এমন একটি ধারণা তৈরি করতে চান যেন তিনি ইচ্ছেমতো যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে কমলা হ্যারিস একে আমেরিকার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, নির্মম ও অদক্ষ’ সরকার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি দেশের স্বার্থের চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু নেতার ইচ্ছাপূরণকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আরও পড়ুন  মোজতবা খামেনির মৃত্যুর খবরে কী বললেন ট্রাম্প

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর অনুসারীরা বরাবরই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে যে আমাকে (ট্রাম্পকে) কী করতে হবে তা অন্য কেউ বলে দিতে পারে?” তিনি নিজেকে সব সময় ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অনুসারী হিসেবে দাবি করেন।

আসন্ন নির্বাচনের আগে হ্যারিসের এই বক্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে দুই দলের বিপরীতমুখী অবস্থান নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।