ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য রাশিদা ও ইলহানকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 161

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গতকাল বুধবার (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার) ট্রাম্পের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাঁকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান। আনাদোলু এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের দাবি: মার্কিন নাগরিকত্বের আইন ছিল দাসদের সন্তানদের জন্য, অভিবাসীদের জন্য নয়

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মানুষ যখন এমন আচরণ করতে পারে এবং যখন জানা যায় যে তারা নীতিহীন ও দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ এবং আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর; তখন তাদের যেখান থেকে এসেছে সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া উচিত—যত দ্রুত সম্ভব।’

ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায় হলেও তিনি প্রায় তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিবের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েটে। অর্থাৎ তিনি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক। ফলে ইলহান ও রাশিদার কাউকে তাঁদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিনদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তাঁরা। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তাঁরা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের দেওয়া বার্তার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রাশিদা লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম নারী প্রতিবাদ করছেন ও তাঁর ভুল সংশোধন করে দিচ্ছেন—এটা তিনি সহ্য করতে পারছেন না। তাই এখন তিনি মেজাজ হারাচ্ছেন। #প্রেসিডেন্টমজনুন।’ হ্যশট্যাগে ব্যবহৃত ‘মজনুন’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘পাগল’।

এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একই বার্তায় ট্রাম্প তাঁর কড়া সমালোচক ও দুবারের অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোকেও আক্রমণ করেছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, ডি নিরো একজন ‘অসুস্থ ও উন্মাদ ব্যক্তি; যাঁর আইকিউ অত্যন্ত কম। তিনি কী করছেন বা বলছেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা নেই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য রাশিদা ও ইলহানকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গতকাল বুধবার (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার) ট্রাম্পের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাঁকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান। আনাদোলু এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

আরও পড়ুন  "আকাশপথে সংকট: যুক্তরাষ্ট্রের ১৪০০ ফ্লাইট বাতিলের খবর"

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মানুষ যখন এমন আচরণ করতে পারে এবং যখন জানা যায় যে তারা নীতিহীন ও দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ এবং আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর; তখন তাদের যেখান থেকে এসেছে সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া উচিত—যত দ্রুত সম্ভব।’

ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায় হলেও তিনি প্রায় তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিবের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েটে। অর্থাৎ তিনি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক। ফলে ইলহান ও রাশিদার কাউকে তাঁদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিনদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তাঁরা। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তাঁরা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের দেওয়া বার্তার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রাশিদা লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম নারী প্রতিবাদ করছেন ও তাঁর ভুল সংশোধন করে দিচ্ছেন—এটা তিনি সহ্য করতে পারছেন না। তাই এখন তিনি মেজাজ হারাচ্ছেন। #প্রেসিডেন্টমজনুন।’ হ্যশট্যাগে ব্যবহৃত ‘মজনুন’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘পাগল’।

এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একই বার্তায় ট্রাম্প তাঁর কড়া সমালোচক ও দুবারের অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোকেও আক্রমণ করেছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, ডি নিরো একজন ‘অসুস্থ ও উন্মাদ ব্যক্তি; যাঁর আইকিউ অত্যন্ত কম। তিনি কী করছেন বা বলছেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা নেই।’