ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরমাণু সংস্থার পরিদর্শকদের জুতার ভেতরে গুপ্তচর চিপ! দাবি ইরানের।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 714

ছবি সংগৃহীত

 

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর পরিদর্শকদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে ইরান । দাবি করা হয়েছে, তারা ইরানি পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সময় জুতার ভেতরে গোপন নজরদারি চিপ বসিয়ে গিয়েছিলেন। এই অভিযোগ করেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির উপ-চেয়ারম্যান মাহমুদ নাবাভিয়ান।

তার ভাষায়,
এই চিপের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, পরিদর্শকরা “নিঃসন্দেহে গুপ্তচর” এবং তাদের কাজ নিরপেক্ষ ছিল না।

আরও পড়ুন  শান্তি আলোচনা থেকে ইরান কি হার না মানার বার্তা দিতে চায়

তিনি আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি’কে ইরানের গোপন নথি ইসরায়েলের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য দায়ী করেছেন।

নাবাভিয়ান আরও বলেন,
কিছু গোপন নথি এমনকি আইএইএর নিজস্ব কর্মকর্তারা দেখার আগেই মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়।

এসব কারণেই, ইরান এখন থেকে আইএইএর সঙ্গে সীমিত ও কঠোর নজরদারির মধ্যে সহযোগিতা চালিয়ে যাবে, যা দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

ইরান এই ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ হিসেবে দেখছে এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পরমাণু সংস্থার পরিদর্শকদের জুতার ভেতরে গুপ্তচর চিপ! দাবি ইরানের।

আপডেট সময় ০৭:৪০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর পরিদর্শকদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে ইরান । দাবি করা হয়েছে, তারা ইরানি পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সময় জুতার ভেতরে গোপন নজরদারি চিপ বসিয়ে গিয়েছিলেন। এই অভিযোগ করেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির উপ-চেয়ারম্যান মাহমুদ নাবাভিয়ান।

তার ভাষায়,
এই চিপের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, পরিদর্শকরা “নিঃসন্দেহে গুপ্তচর” এবং তাদের কাজ নিরপেক্ষ ছিল না।

আরও পড়ুন  ২০ ইসরায়েলি গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করল ইরান

তিনি আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি’কে ইরানের গোপন নথি ইসরায়েলের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য দায়ী করেছেন।

নাবাভিয়ান আরও বলেন,
কিছু গোপন নথি এমনকি আইএইএর নিজস্ব কর্মকর্তারা দেখার আগেই মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়।

এসব কারণেই, ইরান এখন থেকে আইএইএর সঙ্গে সীমিত ও কঠোর নজরদারির মধ্যে সহযোগিতা চালিয়ে যাবে, যা দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

ইরান এই ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ হিসেবে দেখছে এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।