ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

টেক্সাসের আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৩, নিখোঁজ এখনো ২৭ শিশু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 486

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য টেক্সাসে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে, যাদের মধ্যে ১৫ জন শিশু রয়েছে। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিতদের খুঁজে পেতে শত শত উদ্ধারকর্মী জোরালো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াদালুপ নদীর তীরে একটি সামার ক্যাম্পের ২৭ শিশুর কোনো খোঁজ মেলেনি। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  টেক্সাসে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২, নিখোঁজ ৪১

কাউন্টি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “উদ্ধার অভিযান চলবে যতক্ষণ না সকল নিখোঁজকে খুঁজে বের করা যায়।”

এদিকে, কিছু অভিভাবক সামাজিক মাধ্যমে তাদের শিশুদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৮৫০ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

একইসাথে মধ্য টেক্সাসে নতুন করে একাধিক আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বলেন, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করার জন্য তিনি একটি বর্ধিত দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও বলেন, “একজনকেও ফেলে রাখা হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না সবকিছু শেষ হয়, আমাদের কাজ থামবে না।”

উদ্ধারকর্মীরা হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং নৌকা ব্যবহার করে গুয়াদালুপ নদীর আশেপাশের এলাকা তল্লাশি করছেন, যাতে বন্যার স্রোতে ভেসে যাওয়া মানুষদের দ্রুত খুঁজে বের করা যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় তার প্রশাসন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে।

শুক্রবার ভোরে টানা মুষলধারে বৃষ্টির কারণে এই আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। এরই মধ্যে উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে কাজ শুরু করেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজদের খুঁজে পেতে রাতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। হেলিকপ্টার ও নৌকাসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নদী তীরবর্তী এলাকা তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেন, “প্রতিটি মানুষের প্রাণ রক্ষার জন্য আমাদের এই লড়াই চলবে। সকলের সহায়তায় আমরা এগিয়ে যাব।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

টেক্সাসের আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৩, নিখোঁজ এখনো ২৭ শিশু

আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য টেক্সাসে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে, যাদের মধ্যে ১৫ জন শিশু রয়েছে। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিতদের খুঁজে পেতে শত শত উদ্ধারকর্মী জোরালো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াদালুপ নদীর তীরে একটি সামার ক্যাম্পের ২৭ শিশুর কোনো খোঁজ মেলেনি। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  টেক্সাসে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃত্যু ১০০ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ বহু

কাউন্টি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “উদ্ধার অভিযান চলবে যতক্ষণ না সকল নিখোঁজকে খুঁজে বের করা যায়।”

এদিকে, কিছু অভিভাবক সামাজিক মাধ্যমে তাদের শিশুদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৮৫০ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

একইসাথে মধ্য টেক্সাসে নতুন করে একাধিক আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বলেন, উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করার জন্য তিনি একটি বর্ধিত দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও বলেন, “একজনকেও ফেলে রাখা হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না সবকিছু শেষ হয়, আমাদের কাজ থামবে না।”

উদ্ধারকর্মীরা হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং নৌকা ব্যবহার করে গুয়াদালুপ নদীর আশেপাশের এলাকা তল্লাশি করছেন, যাতে বন্যার স্রোতে ভেসে যাওয়া মানুষদের দ্রুত খুঁজে বের করা যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় তার প্রশাসন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে।

শুক্রবার ভোরে টানা মুষলধারে বৃষ্টির কারণে এই আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। এরই মধ্যে উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে কাজ শুরু করেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজদের খুঁজে পেতে রাতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। হেলিকপ্টার ও নৌকাসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নদী তীরবর্তী এলাকা তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেন, “প্রতিটি মানুষের প্রাণ রক্ষার জন্য আমাদের এই লড়াই চলবে। সকলের সহায়তায় আমরা এগিয়ে যাব।”