ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ভয়াবহ ফেরি ডুবিতে নিহত ৪, নিখোঁজ ৩৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 596

ছবি সংগৃহীত

 

 

ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের কাছে সাগরে ৬৫ জন আরোহী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে গেছে। ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল রাতভর অভিযান চালিয়ে এখনো নিখোঁজ থাকা ৩৮ জনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে এএফপির খবরে জানা গেছে।

আরও পড়ুন  মাদারীপুরের শিবচরে নিখোঁজের ১১ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ডুবে যাওয়া ফেরিটির নাম ‘কেএমপি তুনু প্রাতামা জায়া’। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার দিন শেষে ফেরিটি পূর্ব জাভার কেতাপাং বন্দর থেকে রওনা হওয়ার প্রায় আধাঘণ্টা পরেই প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফেরিটি কেতাপাং বন্দর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) দূরে অবস্থিত বালির গিলিমানুক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। ফেরিতে ৫৩ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু ছিলেন। এর পাশাপাশি ২২টি যানবাহন, যার মধ্যে ১৪টি ট্রাকও ছিল, তা বোঝাই অবস্থায় ফেরিটি যাত্রা করেছিল।

পূর্ব জাভার বানয়ুওয়াঙ্গি শহরের পুলিশপ্রধান রামা সামতামা পুত্রা জানিয়েছেন, ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা উত্তাল সাগরে ভেসে থাকার কারণে অনেকে অচেতন হয়ে পড়েন।

উদ্ধার অভিযানে রাতভর ৯টি নৌকা অংশ নেয়। তবে রাতের আঁধার এবং সাড়ে ৬ ফুট উচ্চতার ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। তবুও উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো ফেরি। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে প্রায়ই বড় দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের জন্য তল্লাশি চালিয়ে যাওয়া হবে।

এ ঘটনায় উদ্ধারকৃতদের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। দুর্যোগের সময়ে যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার নিশ্চিত করতে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিখোঁজদের ভাগ্য নিয়ে উৎকণ্ঠা থেকেই যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ভয়াবহ ফেরি ডুবিতে নিহত ৪, নিখোঁজ ৩৮

আপডেট সময় ১০:৩৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের কাছে সাগরে ৬৫ জন আরোহী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে গেছে। ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল রাতভর অভিযান চালিয়ে এখনো নিখোঁজ থাকা ৩৮ জনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে এএফপির খবরে জানা গেছে।

আরও পড়ুন  গাজায় ধ্বং*সস্তূপ থেকে ১৯ লা*শ উদ্ধার, এখনও নি*খোঁজ ৮ হাজারের বেশি

ডুবে যাওয়া ফেরিটির নাম ‘কেএমপি তুনু প্রাতামা জায়া’। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার দিন শেষে ফেরিটি পূর্ব জাভার কেতাপাং বন্দর থেকে রওনা হওয়ার প্রায় আধাঘণ্টা পরেই প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফেরিটি কেতাপাং বন্দর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) দূরে অবস্থিত বালির গিলিমানুক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। ফেরিতে ৫৩ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু ছিলেন। এর পাশাপাশি ২২টি যানবাহন, যার মধ্যে ১৪টি ট্রাকও ছিল, তা বোঝাই অবস্থায় ফেরিটি যাত্রা করেছিল।

পূর্ব জাভার বানয়ুওয়াঙ্গি শহরের পুলিশপ্রধান রামা সামতামা পুত্রা জানিয়েছেন, ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা উত্তাল সাগরে ভেসে থাকার কারণে অনেকে অচেতন হয়ে পড়েন।

উদ্ধার অভিযানে রাতভর ৯টি নৌকা অংশ নেয়। তবে রাতের আঁধার এবং সাড়ে ৬ ফুট উচ্চতার ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। তবুও উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো ফেরি। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে প্রায়ই বড় দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের জন্য তল্লাশি চালিয়ে যাওয়া হবে।

এ ঘটনায় উদ্ধারকৃতদের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। দুর্যোগের সময়ে যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার নিশ্চিত করতে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিখোঁজদের ভাগ্য নিয়ে উৎকণ্ঠা থেকেই যাচ্ছে।