ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ

গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 588

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের এ হামলায় সাগরপাড়ের একটি জনবহুল ক্যাফে, একটি বিদ্যালয় ও একটি হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা বর্ষণ করা হয়। এতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

গাজা নগরী ও এর উত্তরাঞ্চলে চালানো হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। আল–বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় চালানো হামলায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও কয়েক ডজন। সাগরপাড়ের এই জনপ্রিয় ক্যাফেটিতে হামলার সময় সেখানে নারী ও শিশুরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জড়ো ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ইসমাইল আবু হাতাব।

আরও পড়ুন  গাজায় ফের রক্তাক্ত প্রহর: ইসরায়েলি হামলায় শিশু ও নারীসহ ২৩ জনের প্রাণহানি 

প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরিফ জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দ্রুত এসে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই বোমা ফেলেছিল। হামলায় পুরো ক্যাফে ধ্বংস হয়ে গেছে, মাটিতে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখেছি। এ জায়গার কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।”

এছাড়া, গাজা নগরীর ইয়াফা বিদ্যালয়েও হামলা চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শত শত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খালি করার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানান সেখান থেকে পালানো হামাদা আবু জারাদেহ।

গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর–এল–বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল–আকসা হাসপাতাল প্রাঙ্গণেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানেও অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার কারণে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

গাজা শহরের স্থানীয় সাংবাদিক হানি মাহমুদ আল–জাজিরাকে জানান, পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এসব হামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় দিন দিন বাড়ছে হতাহত এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

আপডেট সময় ১০:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবারের এ হামলায় সাগরপাড়ের একটি জনবহুল ক্যাফে, একটি বিদ্যালয় ও একটি হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রে বোমা বর্ষণ করা হয়। এতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

গাজা নগরী ও এর উত্তরাঞ্চলে চালানো হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। আল–বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় চালানো হামলায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও কয়েক ডজন। সাগরপাড়ের এই জনপ্রিয় ক্যাফেটিতে হামলার সময় সেখানে নারী ও শিশুরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জড়ো ছিলেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক ইসমাইল আবু হাতাব।

আরও পড়ুন  গা/জা/য় ভয়াবহ খাদ্য সংকট: দুর্ভিক্ষের মুখে ২১ লাখ মানুষ

প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরিফ জানান, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দ্রুত এসে কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই বোমা ফেলেছিল। হামলায় পুরো ক্যাফে ধ্বংস হয়ে গেছে, মাটিতে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখেছি। এ জায়গার কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না।”

এছাড়া, গাজা নগরীর ইয়াফা বিদ্যালয়েও হামলা চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে শত শত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খালি করার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানান সেখান থেকে পালানো হামাদা আবু জারাদেহ।

গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর–এল–বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল–আকসা হাসপাতাল প্রাঙ্গণেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানেও অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলার কারণে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

গাজা শহরের স্থানীয় সাংবাদিক হানি মাহমুদ আল–জাজিরাকে জানান, পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এসব হামলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর এ ধরনের আক্রমণ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় দিন দিন বাড়ছে হতাহত এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।