ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গাজায় যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত, এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির আশা ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 338

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপীড়িত গাজা উপত্যকায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।” সাংবাদিকরা গাজায় যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান–আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “আমি এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি… আমাদের ধারণা, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।” তিনি গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে “ভয়াবহ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “ওখানে একেবারে দুঃসহ অবস্থা চলছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই যুদ্ধবিরতির শর্ত বা কাঠামো প্রকাশ করেনি।

এদিকে, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষের জীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সেই সহায়তা মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হলে বহুদিন পর হলেও গাজার মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আশা জাগিয়েছে যে হয়তো শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করবে উপত্যকায়।

উল্লেখ্য, চলমান সহিংসতার কারণে গাজায় চিকিৎসা, খাদ্য ও জরুরি সহায়তার অভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও যুদ্ধবিরতির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে।

তবে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হবে, এবং এর শর্তাবলি কী হবে, সে নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

সূত্র: আনাদুলু

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত, এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির আশা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপীড়িত গাজা উপত্যকায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।” সাংবাদিকরা গাজায় যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সৌদি আরবে জেলেনস্কি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলও উপস্থিত

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “আমি এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি… আমাদের ধারণা, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।” তিনি গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে “ভয়াবহ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “ওখানে একেবারে দুঃসহ অবস্থা চলছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই যুদ্ধবিরতির শর্ত বা কাঠামো প্রকাশ করেনি।

এদিকে, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষের জীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সেই সহায়তা মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হলে বহুদিন পর হলেও গাজার মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আশা জাগিয়েছে যে হয়তো শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করবে উপত্যকায়।

উল্লেখ্য, চলমান সহিংসতার কারণে গাজায় চিকিৎসা, খাদ্য ও জরুরি সহায়তার অভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও যুদ্ধবিরতির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে।

তবে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হবে, এবং এর শর্তাবলি কী হবে, সে নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

সূত্র: আনাদুলু