ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

কাতার-যুক্তরাষ্ট্রে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক চুক্তি, বোয়িংয়ের রেকর্ড অর্ডার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 578

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাতার সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৪ মে) দোহায় এই চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয় বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে।

ট্রাম্প জানান, এদিনই কাতারের সঙ্গে প্রায় ২৪৩ বিলিয়ন ডলারের কয়েকটি বড় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে মার্কিন বিমান নির্মাতা বোয়িং এবং জিই অ্যারোস্পেসের বিমান কেনার চুক্তি।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার নতুন চুক্তি: শান্তির পথে একধাপ এগিয়ে

৯৬ বিলিয়ন ডলারের এ চুক্তির আওতায় কাতার এয়ারওয়েজকে বোয়িং সরবরাহ করবে ২১০টি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৭৭এক্স মডেলের বিমান। জিই অ্যারোস্পেস সরবরাহ করবে বিমানগুলোর জন্য অত্যাধুনিক ইঞ্জিন। বোয়িংয়ের সিইও কেলি অর্টবার্গ এই চুক্তি সাক্ষরে দোহায় উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প একে বোয়িংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্রয়াদেশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ১৬০টি বিমান সরবরাহ করা হবে।

এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং সমুদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্ভাব্য ৩৮ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় কাতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে জেনারেল অ্যাটমিকসের ড্রোন ও রেথিয়নের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম কিনবে।

এই সফর ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরের দ্বিতীয় দিন। এর আগের দিন (১৩ মে) তিনি সৌদি আরব সফর করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা হোয়াইট হাউস বলছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির চুক্তি’। এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের মোট ৬০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, অচিরেই এই বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কাতার সফর শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাবেন। আমিরাত সফরের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তার চার দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফর। একই দিন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ইস্তাম্বুলে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ট্রাম্প যোগ দিতে পারেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতার-যুক্তরাষ্ট্রে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক চুক্তি, বোয়িংয়ের রেকর্ড অর্ডার

আপডেট সময় ১০:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাতার সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৪ মে) দোহায় এই চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয় বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে।

ট্রাম্প জানান, এদিনই কাতারের সঙ্গে প্রায় ২৪৩ বিলিয়ন ডলারের কয়েকটি বড় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে মার্কিন বিমান নির্মাতা বোয়িং এবং জিই অ্যারোস্পেসের বিমান কেনার চুক্তি।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে ইউক্রেন

৯৬ বিলিয়ন ডলারের এ চুক্তির আওতায় কাতার এয়ারওয়েজকে বোয়িং সরবরাহ করবে ২১০টি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৭৭এক্স মডেলের বিমান। জিই অ্যারোস্পেস সরবরাহ করবে বিমানগুলোর জন্য অত্যাধুনিক ইঞ্জিন। বোয়িংয়ের সিইও কেলি অর্টবার্গ এই চুক্তি সাক্ষরে দোহায় উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প একে বোয়িংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্রয়াদেশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ১৬০টি বিমান সরবরাহ করা হবে।

এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং সমুদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্ভাব্য ৩৮ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় কাতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে জেনারেল অ্যাটমিকসের ড্রোন ও রেথিয়নের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম কিনবে।

এই সফর ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরের দ্বিতীয় দিন। এর আগের দিন (১৩ মে) তিনি সৌদি আরব সফর করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা হোয়াইট হাউস বলছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির চুক্তি’। এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের মোট ৬০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, অচিরেই এই বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কাতার সফর শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাবেন। আমিরাত সফরের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তার চার দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফর। একই দিন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ইস্তাম্বুলে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ট্রাম্প যোগ দিতে পারেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।