ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

কাতার-যুক্তরাষ্ট্রে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক চুক্তি, বোয়িংয়ের রেকর্ড অর্ডার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 318

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাতার সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৪ মে) দোহায় এই চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয় বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে।

ট্রাম্প জানান, এদিনই কাতারের সঙ্গে প্রায় ২৪৩ বিলিয়ন ডলারের কয়েকটি বড় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে মার্কিন বিমান নির্মাতা বোয়িং এবং জিই অ্যারোস্পেসের বিমান কেনার চুক্তি।

আরও পড়ুন  অবশেষে কারারের দোহায় যুদ্ধ বিরতী চুক্তিতে সই করেছে

৯৬ বিলিয়ন ডলারের এ চুক্তির আওতায় কাতার এয়ারওয়েজকে বোয়িং সরবরাহ করবে ২১০টি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৭৭এক্স মডেলের বিমান। জিই অ্যারোস্পেস সরবরাহ করবে বিমানগুলোর জন্য অত্যাধুনিক ইঞ্জিন। বোয়িংয়ের সিইও কেলি অর্টবার্গ এই চুক্তি সাক্ষরে দোহায় উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প একে বোয়িংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্রয়াদেশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ১৬০টি বিমান সরবরাহ করা হবে।

এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং সমুদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্ভাব্য ৩৮ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় কাতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে জেনারেল অ্যাটমিকসের ড্রোন ও রেথিয়নের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম কিনবে।

এই সফর ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরের দ্বিতীয় দিন। এর আগের দিন (১৩ মে) তিনি সৌদি আরব সফর করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা হোয়াইট হাউস বলছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির চুক্তি’। এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের মোট ৬০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, অচিরেই এই বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কাতার সফর শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাবেন। আমিরাত সফরের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তার চার দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফর। একই দিন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ইস্তাম্বুলে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ট্রাম্প যোগ দিতে পারেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতার-যুক্তরাষ্ট্রে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক চুক্তি, বোয়িংয়ের রেকর্ড অর্ডার

আপডেট সময় ১০:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাতার সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৪ মে) দোহায় এই চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয় বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে।

ট্রাম্প জানান, এদিনই কাতারের সঙ্গে প্রায় ২৪৩ বিলিয়ন ডলারের কয়েকটি বড় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে মার্কিন বিমান নির্মাতা বোয়িং এবং জিই অ্যারোস্পেসের বিমান কেনার চুক্তি।

আরও পড়ুন  অধিকৃত ফিলিস্তিনি জলসীমায় গ্যাস অনুসন্ধানে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করছে আজারবাইজান

৯৬ বিলিয়ন ডলারের এ চুক্তির আওতায় কাতার এয়ারওয়েজকে বোয়িং সরবরাহ করবে ২১০টি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৭৭এক্স মডেলের বিমান। জিই অ্যারোস্পেস সরবরাহ করবে বিমানগুলোর জন্য অত্যাধুনিক ইঞ্জিন। বোয়িংয়ের সিইও কেলি অর্টবার্গ এই চুক্তি সাক্ষরে দোহায় উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প একে বোয়িংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্রয়াদেশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ১৬০টি বিমান সরবরাহ করা হবে।

এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং সমুদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্ভাব্য ৩৮ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় কাতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে জেনারেল অ্যাটমিকসের ড্রোন ও রেথিয়নের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম কিনবে।

এই সফর ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরের দ্বিতীয় দিন। এর আগের দিন (১৩ মে) তিনি সৌদি আরব সফর করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা হোয়াইট হাউস বলছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির চুক্তি’। এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের মোট ৬০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, অচিরেই এই বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কাতার সফর শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাবেন। আমিরাত সফরের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তার চার দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফর। একই দিন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ইস্তাম্বুলে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ট্রাম্প যোগ দিতে পারেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।