০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

ফিলিপাইনে চলছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মিত্র মার্কোস ও সারা দুতের্তে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 100

ছবি: সংগৃহীত

 

ফিলিপাইনে শুরু হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত মধ্যবর্তী নির্বাচন। বিশ্লেষকদের মতে, সোমবার (১২ মে) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ফের্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এবং অভিশংসিত সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তের মধ্যে ছায়া সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। এক সময়ের রাজনৈতিক মিত্র এখন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী।

প্রায় ১১ কোটি জনসংখ্যার এই দ্বীপরাষ্ট্রে ১৮,০০০-এর বেশি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে মেয়র, গভর্নর, কংগ্রেস সদস্য এবং ২৪ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় সিনেটের ১২টি আসন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ১২টি সিনেট আসনের ফলাফলই ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চিত্র অনেকটাই নির্ধারণ করবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

সিনেটেই ঠিক হবে সারা দুতের্তের ভাগ্য। যদি তিনি অন্তত ৯টি ভোট না পান, তবে তাকে আজীবনের জন্য সরকারি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে, এই নির্বাচন তার জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট মার্কোসের জন্যও এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের উত্তরসূরি নির্ধারণে এই ফলাফলের বড় প্রভাব পড়বে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিনেটে সারা দুতের্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রেসিডেন্ট হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর মার্চে তার পিতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানো হয়, যেখানে তার বিরুদ্ধে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’-এর অভিযোগে বিচার চলছে।

সারা দুতের্তে এ ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক অপহরণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “দুতের্তে পরিবারকে সরিয়ে দিলে লাভবান হবে কারা? অবশ্যই ফিলিপিনো জনগণ নয়।”

এর মধ্যেই আইসিসিতে আটক থাকা অবস্থাতেই রদ্রিগো দুতের্তে নিজ শহর দাবাও সিটির মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। ফিলিপাইনের আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত না হলে প্রার্থী হওয়া বৈধ। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দাবাওতে এখনো তার জনপ্রিয়তা অটুট।

নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ১,৬৩,০০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য। সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মাঠে সক্রিয় রয়েছে।

এই নির্বাচন শুধু কয়েকটি পদে বিজয়-পরাজয়ের বিষয় নয়, এটি ফিলিপাইনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

ফিলিপাইনে চলছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মিত্র মার্কোস ও সারা দুতের্তে

আপডেট সময় ০১:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

ফিলিপাইনে শুরু হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত মধ্যবর্তী নির্বাচন। বিশ্লেষকদের মতে, সোমবার (১২ মে) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ফের্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এবং অভিশংসিত সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তের মধ্যে ছায়া সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। এক সময়ের রাজনৈতিক মিত্র এখন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী।

প্রায় ১১ কোটি জনসংখ্যার এই দ্বীপরাষ্ট্রে ১৮,০০০-এর বেশি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে মেয়র, গভর্নর, কংগ্রেস সদস্য এবং ২৪ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় সিনেটের ১২টি আসন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ১২টি সিনেট আসনের ফলাফলই ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চিত্র অনেকটাই নির্ধারণ করবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

সিনেটেই ঠিক হবে সারা দুতের্তের ভাগ্য। যদি তিনি অন্তত ৯টি ভোট না পান, তবে তাকে আজীবনের জন্য সরকারি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে, এই নির্বাচন তার জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট মার্কোসের জন্যও এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের উত্তরসূরি নির্ধারণে এই ফলাফলের বড় প্রভাব পড়বে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিনেটে সারা দুতের্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রেসিডেন্ট হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর মার্চে তার পিতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানো হয়, যেখানে তার বিরুদ্ধে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’-এর অভিযোগে বিচার চলছে।

সারা দুতের্তে এ ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক অপহরণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “দুতের্তে পরিবারকে সরিয়ে দিলে লাভবান হবে কারা? অবশ্যই ফিলিপিনো জনগণ নয়।”

এর মধ্যেই আইসিসিতে আটক থাকা অবস্থাতেই রদ্রিগো দুতের্তে নিজ শহর দাবাও সিটির মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। ফিলিপাইনের আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত না হলে প্রার্থী হওয়া বৈধ। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দাবাওতে এখনো তার জনপ্রিয়তা অটুট।

নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ১,৬৩,০০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য। সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মাঠে সক্রিয় রয়েছে।

এই নির্বাচন শুধু কয়েকটি পদে বিজয়-পরাজয়ের বিষয় নয়, এটি ফিলিপাইনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।