ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
র‌্যাব এর নতুন নাম এসআরবি প্রস্তাব হাইকোর্টের জামিন পেলেন মমতাজ বেগম মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল অর্থের বিনিময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প দিল্লিতে উপদেষ্টাকে আটকে দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘দেশ মাদকমুক্ত না হলে বাজেট উপকারে আসবে না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণমাধ্যমকে সর্বদা নিখুঁত ও নিরপেক্ষ থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক শর্তসাপেক্ষে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইন সমর্থকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চায় সরকার

অর্থের বিনিময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / 3

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক’ বা ‘নিরাপত্তা রক্ষাকারীর’ ভূমিকা নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ ওয়াশিংটনকে দিতে হবে বলে শর্ত দিয়েছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেহরানের নেতৃত্ব যদি ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করতে পারে। আর এর বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষাকারীর’ ভূমিকা নিতে পারে, যার বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ দিতে হবে।

আরও পড়ুন  ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে তার করা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) শেষ পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পথটিকে ‘স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত’ করে দেবে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়—সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্ররা কি অর্থের বিনিময়ে নিরাপত্তা রক্ষার এই ধারণার সঙ্গে একমত হয়েছে? এর জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা মাত্র শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি তখনই ঘটবে, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ হিসেবেই থেকে যায়।’

সাক্ষাৎকারে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ দেশটির বর্তমান প্রশাসনকে ‘বাস্তববাদী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নতুন মন্তব্য যুদ্ধের প্রথম দিনের অবস্থানের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সে সময় ট্রাম্প ইরানের সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বোমা হামলা শেষ হওয়ার পর তারা যেন নিজেদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়।

সূত্র: এনডিটিভি ও নিউইয়র্ক টাইমস।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থের বিনিময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৬:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক’ বা ‘নিরাপত্তা রক্ষাকারীর’ ভূমিকা নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ ওয়াশিংটনকে দিতে হবে বলে শর্ত দিয়েছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেহরানের নেতৃত্ব যদি ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করতে পারে। আর এর বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষাকারীর’ ভূমিকা নিতে পারে, যার বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ দিতে হবে।

আরও পড়ুন  ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে তার করা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) শেষ পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পথটিকে ‘স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত’ করে দেবে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়—সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্ররা কি অর্থের বিনিময়ে নিরাপত্তা রক্ষার এই ধারণার সঙ্গে একমত হয়েছে? এর জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা মাত্র শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি তখনই ঘটবে, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ হিসেবেই থেকে যায়।’

সাক্ষাৎকারে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ দেশটির বর্তমান প্রশাসনকে ‘বাস্তববাদী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নতুন মন্তব্য যুদ্ধের প্রথম দিনের অবস্থানের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সে সময় ট্রাম্প ইরানের সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বোমা হামলা শেষ হওয়ার পর তারা যেন নিজেদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়।

সূত্র: এনডিটিভি ও নিউইয়র্ক টাইমস।