ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষককে অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী স্ক্যাম মেসেজ খোলার আগেই সতর্ক করবে হোয়াটসঅ্যাপ নিবন্ধনহীন কিন্ডারগার্টেন বন্ধের উদ্যোগ: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে অ/গ্নি/কা/ণ্ড, বাংলাদেশিদের জন্য হেল্পলাইন চালু চার দেশে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস অক্টোবরে পাঁচ বিভাগীয় ও জেলা শহরে শিশু হাসপাতাল চালুর ঘোষণা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট শপথ নতুন রাষ্ট্রপতির একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন পশ্চিমবঙ্গের হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন বাংলাদেশিরা

ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1720

ছবি: সংগৃহীত

মানুষের অবচেতন মনের এক বিচিত্র রহস্য হলো ঘুমের ঘোরে কথা বলা বা ‘স্লিপ টকিং’। কখনো অস্পষ্ট বিড়বিড়ানি, আবার কখনো পূর্ণ গলার চিৎকার—এই বিচিত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মূলত মস্তিষ্কের কিছু অংশ হুট করে জেগে উঠলে। মার্কিন গীতিকার ডিওন ম্যাকগ্রেগর ছিলেন এই অভ্যাসের এক অনন্য উদাহরণ, যার অদ্ভুত সব ঘুমের সংলাপ নিয়ে ১৯৬৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার হলেও ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। ইতালির সাপিয়েনজা ইউনিভার্সিটি অফ রোম-এর ঘুম গবেষক লুইজি ডি জেনারো জানান, জনসংখ্যার ৩ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত এই অভ্যাসের শিকার।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ডেইড্রে ব্যারেটের মতে, সাধারণত স্বপ্নহীন বা ‘নন আরইএম’ ঘুমের মধ্যেই মানুষ বেশি কথা বলে। ইইজি যন্ত্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের সময় মানুষের পুরো মস্তিষ্ক না জাগলেও ভাষার সঙ্গে জড়িত ছোট ছোট কিছু অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শরীরকে স্থির রাখার স্নায়বিক সংকেতে সাময়িক কোনো গোলযোগ হলেই মানুষ অবচেতনভাবে কথা বলে ওঠে। যদিও অনেকের ধারণা এটি মনের গোপন কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ?

আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

মানুষের অবচেতন মনের এক বিচিত্র রহস্য হলো ঘুমের ঘোরে কথা বলা বা ‘স্লিপ টকিং’। কখনো অস্পষ্ট বিড়বিড়ানি, আবার কখনো পূর্ণ গলার চিৎকার—এই বিচিত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মূলত মস্তিষ্কের কিছু অংশ হুট করে জেগে উঠলে। মার্কিন গীতিকার ডিওন ম্যাকগ্রেগর ছিলেন এই অভ্যাসের এক অনন্য উদাহরণ, যার অদ্ভুত সব ঘুমের সংলাপ নিয়ে ১৯৬৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার হলেও ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। ইতালির সাপিয়েনজা ইউনিভার্সিটি অফ রোম-এর ঘুম গবেষক লুইজি ডি জেনারো জানান, জনসংখ্যার ৩ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত এই অভ্যাসের শিকার।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ডেইড্রে ব্যারেটের মতে, সাধারণত স্বপ্নহীন বা ‘নন আরইএম’ ঘুমের মধ্যেই মানুষ বেশি কথা বলে। ইইজি যন্ত্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের সময় মানুষের পুরো মস্তিষ্ক না জাগলেও ভাষার সঙ্গে জড়িত ছোট ছোট কিছু অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শরীরকে স্থির রাখার স্নায়বিক সংকেতে সাময়িক কোনো গোলযোগ হলেই মানুষ অবচেতনভাবে কথা বলে ওঠে। যদিও অনেকের ধারণা এটি মনের গোপন কথা।