ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজের স্ত্রীকে প্রশংসা করার দিন আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24

ছবি: সংগৃহীত

 

গ্রাম বাংলায় মহিলাদের মুখে একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়, “সারা জীবন কষ্ট করেও স্বামীর মন পেলাম না।” এই অভিযোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ আজ।স্বামীরা সারা বছর কৃপণতা করলেও আজ কিন্তু স্ত্রীকে প্রশংসায় ভাসাতেই পারেন। হয়তো আপনি এক বছর, দশ বছর কিংবা পঞ্চাশ বছর আগে বিয়ে করেছেন। পৃথিবীতে হয়তো আপনার জন্য অনেকে আছে। কিন্তু আপনার স্ত্রীর কাছে আপনিই তার পৃথিবী। না, কোনো আজগুবি কথাবার্তা বলছিনা, আজ সারাদিন প্রাণ খুলে শুধু নিজের স্ত্রীর প্রশংসা করুন। কারণ আজ স্ত্রীকে প্রশংসা করা দিবস।

প্রতিবছর এই দিনে বিশ্বের অনেক দেশের স্বামীরা নিজের স্ত্রীর প্রশংসা করতে ব্যাস্ত থাকেন। এই ব্যাপারটি অনেকের কাছে উদ্ভট কিংবা মজার মনে হলেও প্রতিবছর সেপ্টেম্বরের ৩য় রবিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি ঘটা করে পালন করা হয়। ২০০৬ সালে দিবসটি প্রথম পালন করা হয়। দিবসটি নিয়ে খুব বেশি তথ্য জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, স্ত্রীর প্রশংসা করা দিবসটি মূলত স্ত্রীদের সম্মান জানানোর জন্য উদযাপন করা হয়।

আরও পড়ুন  স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

দিনটিতে কোনো সরকারি ছুটি নেই। কিন্তু নিজের বউকে প্রশংসা করতে সরকারি ছুটির অপেক্ষায় থাকেই বা কে?

নারীদের সম্মানে নারী দিবস, মা দিবস পালন করা হয় অনেক আগে থেকেই। কিন্তু স্ত্রীর কাজের মূল্যায়ন এবং সম্মানের জন্য এই দিনটির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন অনেকে। স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া সামান্য একটু প্রশংসা নারীদের কাছে বহু মূল্যবান। সংসারে সুখ আনতে অবশ্যই পুরুষের উচিত বিভিন্ন কাজে স্ত্রীর প্রশংসা করা। এতে স্ত্রীর মন ভালো থাকবে এবং আপনার প্রতি তার সম্মান ও ভালোবাসা বাড়বে।

আপনি মুখে যদি বলতে একটু লজ্জা পান, তাহলে মেসেজেও জানাতে পারেন। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রীর প্রশংসা করে একটি পোস্ট লিখতে পারেন। এতে আপনার স্ত্রী খুশি হবেন। আর স্ত্রী খুশি থাকার মানে হচ্ছে সংসারে সুখ বজায় থাকা। আজ অফিস থেকে ফেরার পথে স্ত্রীর জন্য নিয়ে যেতে পারেন এক গুচ্ছ গোলাপ, দোলনচাপা কিংবা বেলি ফুলের মালা। খোঁপায় গুজে দিতে পারেন তার পছন্দের ফুল। আর একটু বেশি খরচ করতে চাইলে, সঙ্গীকে আংটি উপহার দিতে পারেন। ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশে আংটি দেওয়ার রীতি, খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে চলে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজের স্ত্রীকে প্রশংসা করার দিন আজ

আপডেট সময় ১২:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

গ্রাম বাংলায় মহিলাদের মুখে একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়, “সারা জীবন কষ্ট করেও স্বামীর মন পেলাম না।” এই অভিযোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ আজ।স্বামীরা সারা বছর কৃপণতা করলেও আজ কিন্তু স্ত্রীকে প্রশংসায় ভাসাতেই পারেন। হয়তো আপনি এক বছর, দশ বছর কিংবা পঞ্চাশ বছর আগে বিয়ে করেছেন। পৃথিবীতে হয়তো আপনার জন্য অনেকে আছে। কিন্তু আপনার স্ত্রীর কাছে আপনিই তার পৃথিবী। না, কোনো আজগুবি কথাবার্তা বলছিনা, আজ সারাদিন প্রাণ খুলে শুধু নিজের স্ত্রীর প্রশংসা করুন। কারণ আজ স্ত্রীকে প্রশংসা করা দিবস।

প্রতিবছর এই দিনে বিশ্বের অনেক দেশের স্বামীরা নিজের স্ত্রীর প্রশংসা করতে ব্যাস্ত থাকেন। এই ব্যাপারটি অনেকের কাছে উদ্ভট কিংবা মজার মনে হলেও প্রতিবছর সেপ্টেম্বরের ৩য় রবিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি ঘটা করে পালন করা হয়। ২০০৬ সালে দিবসটি প্রথম পালন করা হয়। দিবসটি নিয়ে খুব বেশি তথ্য জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, স্ত্রীর প্রশংসা করা দিবসটি মূলত স্ত্রীদের সম্মান জানানোর জন্য উদযাপন করা হয়।

আরও পড়ুন  স্ত্রীর মুখে গরম ডাল, মামলায় স্বামী কারাগারে

দিনটিতে কোনো সরকারি ছুটি নেই। কিন্তু নিজের বউকে প্রশংসা করতে সরকারি ছুটির অপেক্ষায় থাকেই বা কে?

নারীদের সম্মানে নারী দিবস, মা দিবস পালন করা হয় অনেক আগে থেকেই। কিন্তু স্ত্রীর কাজের মূল্যায়ন এবং সম্মানের জন্য এই দিনটির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন অনেকে। স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া সামান্য একটু প্রশংসা নারীদের কাছে বহু মূল্যবান। সংসারে সুখ আনতে অবশ্যই পুরুষের উচিত বিভিন্ন কাজে স্ত্রীর প্রশংসা করা। এতে স্ত্রীর মন ভালো থাকবে এবং আপনার প্রতি তার সম্মান ও ভালোবাসা বাড়বে।

আপনি মুখে যদি বলতে একটু লজ্জা পান, তাহলে মেসেজেও জানাতে পারেন। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রীর প্রশংসা করে একটি পোস্ট লিখতে পারেন। এতে আপনার স্ত্রী খুশি হবেন। আর স্ত্রী খুশি থাকার মানে হচ্ছে সংসারে সুখ বজায় থাকা। আজ অফিস থেকে ফেরার পথে স্ত্রীর জন্য নিয়ে যেতে পারেন এক গুচ্ছ গোলাপ, দোলনচাপা কিংবা বেলি ফুলের মালা। খোঁপায় গুজে দিতে পারেন তার পছন্দের ফুল। আর একটু বেশি খরচ করতে চাইলে, সঙ্গীকে আংটি উপহার দিতে পারেন। ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশে আংটি দেওয়ার রীতি, খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে চলে আসছে।