ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

জাবিতে হলে মাদক সেবনের সময় ছাত্রী আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 108

ছবি সংগৃহীত

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নবাব ফয়জুন্নেসা হলে মাদকদ্রব্যসহ (গাঁজা) এক ছাত্রীকে হাতে-নাতে আটক করেছে হল প্রশাসন। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম ইনিশা, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইনিশা মূলত বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী হলেও নবাব ফয়জুন্নেসা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে এসে মাদক সেবন করছিলেন। ওই কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির। নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ইনিশাকে মাদকসহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা তুজ যোহরা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন  উত্তরায় জাবির সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম অভিযোগ করে বলেন, “এর আগেও ওই শিক্ষার্থী বহিরাগতদের নিয়ে হলে প্রবেশ করতেন বলে অভিযোগ ছিল। আজ তাকে হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

ঘটনা প্রসঙ্গে নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানান, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “হল প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করবে। মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।”

এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করায় এবং মোবাইল বন্ধ রাখায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট মঞ্জুর ইলাহি জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জাবিতে হলে মাদক সেবনের সময় ছাত্রী আটক

আপডেট সময় ০৮:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নবাব ফয়জুন্নেসা হলে মাদকদ্রব্যসহ (গাঁজা) এক ছাত্রীকে হাতে-নাতে আটক করেছে হল প্রশাসন। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম ইনিশা, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইনিশা মূলত বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী হলেও নবাব ফয়জুন্নেসা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে এসে মাদক সেবন করছিলেন। ওই কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির। নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ইনিশাকে মাদকসহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা তুজ যোহরা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন  জাবিতে পোষ্য কোটা: বাতিলের দাবি নিয়ে আন্দোলন

নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম অভিযোগ করে বলেন, “এর আগেও ওই শিক্ষার্থী বহিরাগতদের নিয়ে হলে প্রবেশ করতেন বলে অভিযোগ ছিল। আজ তাকে হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

ঘটনা প্রসঙ্গে নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানান, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “হল প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করবে। মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।”

এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করায় এবং মোবাইল বন্ধ রাখায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট মঞ্জুর ইলাহি জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।