ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে উল্লখযোগ্য প্রবৃদ্ধি, অগ্রসর অন্যান্য খাতও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 462

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প রফতানিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) এ খাত থেকে আয় হয়েছে ২,৬৭৯ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৬৪ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, উল্লেখযোগ্য পোশাক খাত

তৈরি পোশাক রপ্তানির মধ্যে নিটওয়্যার খাত থেকে এসেছে ১,৪৩৪ কোটি ৪ লাখ ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১১.০১ শতাংশ বেশি। ওভেন পোশাক রফতানিতে আয় হয়েছে ১,২৪৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা বেড়েছে ১০.২২ শতাংশ।

ফেব্রুয়ারি মাসের হিসেবে তৈরি পোশাক রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩২৪ কোটি ৪৪ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৬৬ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিটওয়্যার রফতানি বেড়েছে ৩.৭৭ শতাংশ, তবে ওভেন পোশাকের আয় সামান্য ০.৪৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

শুধু পোশাক খাতই নয়, অন্যান্য রফতানিতেও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ থেকে মোট ৩,২৯৪ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৫৩ শতাংশ বেশি।

এই সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৮.৪৮ শতাংশ, যা আয় এনেছে ৭৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। কৃষি পণ্যের রফতানিও বেড়েছে ১০.২৫ শতাংশ, মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ২৪ লাখ ডলারে। হোম টেক্সটাইল রফতানি ৫.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে আয় করেছে ৫৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।

ফেব্রুয়ারি মাসে মোট পণ্য রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯৭ কোটি ৩১ লাখ ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২.৭৭ শতাংশ বেশি।

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, যা দেশের রফতানি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে রফতানির বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের ওপর আরও জোর দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে উল্লখযোগ্য প্রবৃদ্ধি, অগ্রসর অন্যান্য খাতও

আপডেট সময় ০৪:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

 

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প রফতানিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) এ খাত থেকে আয় হয়েছে ২,৬৭৯ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৬৪ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  আমদানি-রপ্তানি শুরু হিলি স্থলবন্দরে

তৈরি পোশাক রপ্তানির মধ্যে নিটওয়্যার খাত থেকে এসেছে ১,৪৩৪ কোটি ৪ লাখ ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১১.০১ শতাংশ বেশি। ওভেন পোশাক রফতানিতে আয় হয়েছে ১,২৪৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা বেড়েছে ১০.২২ শতাংশ।

ফেব্রুয়ারি মাসের হিসেবে তৈরি পোশাক রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩২৪ কোটি ৪৪ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৬৬ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিটওয়্যার রফতানি বেড়েছে ৩.৭৭ শতাংশ, তবে ওভেন পোশাকের আয় সামান্য ০.৪৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

শুধু পোশাক খাতই নয়, অন্যান্য রফতানিতেও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ থেকে মোট ৩,২৯৪ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৫৩ শতাংশ বেশি।

এই সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৮.৪৮ শতাংশ, যা আয় এনেছে ৭৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। কৃষি পণ্যের রফতানিও বেড়েছে ১০.২৫ শতাংশ, মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ২৪ লাখ ডলারে। হোম টেক্সটাইল রফতানি ৫.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে আয় করেছে ৫৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।

ফেব্রুয়ারি মাসে মোট পণ্য রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯৭ কোটি ৩১ লাখ ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২.৭৭ শতাংশ বেশি।

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, যা দেশের রফতানি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে রফতানির বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের ওপর আরও জোর দিতে হবে।