কৃষিতে অতীতের চেয়ে বৃহত্তম বাজেট দেওয়ার দাবি কৃষিমন্ত্রীর
- আপডেট সময় ০২:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / 11
কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়নে বিগত বছরের তুলনায় এবার ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ বাজেট বাড়ানো হয়েছে এবং অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবারই কৃষিতে বৃহত্তম বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন চত্বরে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এসব কথা বলেন। যারা কৃষিতে বাজেট কমেছে বলে দাবি করছেন, তারা সঠিক হিসাব করেননি উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, এবার বিশেষ করে প্রণোদনা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ৫৯ শতাংশ।
জাতীয় ফল মেলার গুরুত্ব তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ফল মেলার এই আয়োজন দেশের ফল চাষের অগ্রগতিকে প্রদর্শন করে। বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে একটি বড় ধরনের বিপ্লব ঘটিয়েছে। দেশের যেসব ঐতিহ্যবাহী ফল বিলুপ্তির পথে রয়েছে, সেগুলোকে এই মেলার মাধ্যমে নতুন করে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব বিদেশি ফল আগে প্রচুর পরিমাণে আমদানি করতে হতো, সেগুলো এখন দেশের মাটিতেই সফলভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে ফলের আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে এবং আগামী বছরের মধ্যে ফল আমদানির প্রয়োজনীয়তা পুরোপুরি শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিদেশি ফলের দেশীয় উৎপাদন ও রপ্তানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, একসময় বাংলাদেশে ড্রাগন ফল আমদানি করা হতো, তবে বর্তমানে দেশের আবহাওয়ার অনুকূল পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে এই ফলটি বিদেশে রপ্তানি করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিদেশি ফলের বিকল্প তৈরিতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে আম ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে এবং চলতি বছরে কাঁঠাল রপ্তানির পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পাবে। আগামী দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ফল রপ্তানি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’—এই প্রতিপাদ্য ও স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই ফল মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের কৃষি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে কৃষি मंत्रालয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আব্দুর রহিম উপস্থিত থেকে ফল চাষের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

























