ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

জনগণের প্রয়োজনেই হোক উন্নয়ন, নয় অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 409

ছবি সংগৃহীত

 

নীতিমালা ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে জনগণের কল্যাণ বিবেচনায় নিতে হবে এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক গভর্নর ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (২৬ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘উন্নয়নমূলক প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন  বাজেটে স্বস্তির বার্তা: যেসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “অতীতে অনেক অপ্রয়োজনীয় এবং খরচসাপেক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যা দেশের উন্নয়নে বিশেষ কোনো অবদান রাখতে পারেনি। এখন প্রয়োজন, জনগণের বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ। এতে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে নীতি-নৈতিকতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক প্রতিষ্ঠান অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কাজ পেয়ে যাচ্ছে। যার ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।”

সঠিক অডিট প্রক্রিয়া এবং যোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “প্রকল্প গ্রহণে শুধু সংখ্যা নয়, বরং সম্ভাব্যতা যাচাই করে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প বাছাই করতে হবে। তাহলেই উন্নয়নের প্রকৃত সুফল জনগণ পাবে।”

সেমিনারে বক্তারা উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর নজরদারির আহ্বান জানান এবং বলেন, প্রকল্পের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে জবাবদিহিতা থাকা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য দরকার বাস্তবমুখী, ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনায় গৃহীত প্রকল্প। জনগণের চাহিদা ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে নীতিনির্ধারণ ও প্রকল্প গ্রহণই হতে পারে ভবিষ্যতের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

নিউজটি শেয়ার করুন

জনগণের প্রয়োজনেই হোক উন্নয়ন, নয় অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:১৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

নীতিমালা ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে জনগণের কল্যাণ বিবেচনায় নিতে হবে এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক গভর্নর ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (২৬ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘উন্নয়নমূলক প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন  তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে না : অর্থ উপদেষ্টা

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “অতীতে অনেক অপ্রয়োজনীয় এবং খরচসাপেক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যা দেশের উন্নয়নে বিশেষ কোনো অবদান রাখতে পারেনি। এখন প্রয়োজন, জনগণের বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ। এতে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে নীতি-নৈতিকতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক প্রতিষ্ঠান অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কাজ পেয়ে যাচ্ছে। যার ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।”

সঠিক অডিট প্রক্রিয়া এবং যোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “প্রকল্প গ্রহণে শুধু সংখ্যা নয়, বরং সম্ভাব্যতা যাচাই করে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প বাছাই করতে হবে। তাহলেই উন্নয়নের প্রকৃত সুফল জনগণ পাবে।”

সেমিনারে বক্তারা উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর নজরদারির আহ্বান জানান এবং বলেন, প্রকল্পের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে জবাবদিহিতা থাকা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য দরকার বাস্তবমুখী, ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনায় গৃহীত প্রকল্প। জনগণের চাহিদা ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে নীতিনির্ধারণ ও প্রকল্প গ্রহণই হতে পারে ভবিষ্যতের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।