ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে নারীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা, আটক ৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 24

ছবি সংগৃহীত

 

মাগুরার শ্রীপুরে সিআইডি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে এক নারীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক নারীসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট, একটি খেলনা পিস্তল ও আটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার নাকোল গ্রামের পশ্চিমপাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঝিনাইদহ থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে তারা নাকোলে এসেছিলেন।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির দায়ে আটক ফরাসী ডানপন্থী দলের নেত্রী, প্রেসিডেন্ট হবার স্বপ্নও শেষ

আটক ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার আসমা খাতুন (৩১), ওসমান গনি (২৫), সাব্বির হোসেন (২২), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান হাসান (২৮), আরাপপুর এলাকার সালমান শাহ (২৫), আড়মুখ গ্রামের সাকিব হোসেন (২৩) এবং মাগুরার শালিখা উপজেলার দোবিলা গ্রামের আল আমিন হোসেন (২২)।

বুধবার দুপুরে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।

পুলিশ সুপার বলেন, মঙ্গলবার রাতে নাকোল এলাকায় একটি মাইক্রোবাসের সন্দেহজনক চলাচল পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট ও একটি খেলনা পিস্তল পাওয়া যায়। আটটি মোবাইল ফোনসহ মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক সাতজন নাকোল গ্রামের শ্রাবণী নামের এক নারীকে তুলে নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। এ সময় নিজেদের সিআইডি পুলিশের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার জন্য তারা জ্যাকেট ব্যবহার করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, শ্রাবণীর প্রায় এক বছর আগে নাকোল গ্রামের মোস্তাক নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়। পরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হলে তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার শিমুল নামে আরেক যুবককে বিয়ে করেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রথম স্বামী মোস্তাক শ্রাবণীকে তার দ্বিতীয় স্বামী শিমুলের কাছ থেকে নিয়ে আসেন। এরপর শ্রাবণীকে ফিরে পেতে শিমুল তাকে তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ জন্য শিমুল পাঁচ লাখ টাকার চুক্তিতে আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে পুলিশের ভাষ্য। ওই চুক্তি অনুযায়ী সিআইডির জ্যাকেট ও খেলনা পিস্তল নিয়ে তারা নাকোলে গিয়ে শ্রাবণীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আটক সাতজনের পাশাপাশি শ্রাবণীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুলের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। পরে আটক ব্যক্তিদের শ্রীপুর থানায় সোপর্দ করা হয়। মামলার পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে নারীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা, আটক ৭

আপডেট সময় ০৬:১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

মাগুরার শ্রীপুরে সিআইডি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে এক নারীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক নারীসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট, একটি খেলনা পিস্তল ও আটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার নাকোল গ্রামের পশ্চিমপাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঝিনাইদহ থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে তারা নাকোলে এসেছিলেন।

আরও পড়ুন  বান্দরবান সীমান্তে ১৪ মিয়ানমার নাগরিক আটক

আটক ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার আসমা খাতুন (৩১), ওসমান গনি (২৫), সাব্বির হোসেন (২২), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান হাসান (২৮), আরাপপুর এলাকার সালমান শাহ (২৫), আড়মুখ গ্রামের সাকিব হোসেন (২৩) এবং মাগুরার শালিখা উপজেলার দোবিলা গ্রামের আল আমিন হোসেন (২২)।

বুধবার দুপুরে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।

পুলিশ সুপার বলেন, মঙ্গলবার রাতে নাকোল এলাকায় একটি মাইক্রোবাসের সন্দেহজনক চলাচল পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট ও একটি খেলনা পিস্তল পাওয়া যায়। আটটি মোবাইল ফোনসহ মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক সাতজন নাকোল গ্রামের শ্রাবণী নামের এক নারীকে তুলে নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। এ সময় নিজেদের সিআইডি পুলিশের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার জন্য তারা জ্যাকেট ব্যবহার করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, শ্রাবণীর প্রায় এক বছর আগে নাকোল গ্রামের মোস্তাক নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়। পরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হলে তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার শিমুল নামে আরেক যুবককে বিয়ে করেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রথম স্বামী মোস্তাক শ্রাবণীকে তার দ্বিতীয় স্বামী শিমুলের কাছ থেকে নিয়ে আসেন। এরপর শ্রাবণীকে ফিরে পেতে শিমুল তাকে তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ জন্য শিমুল পাঁচ লাখ টাকার চুক্তিতে আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে পুলিশের ভাষ্য। ওই চুক্তি অনুযায়ী সিআইডির জ্যাকেট ও খেলনা পিস্তল নিয়ে তারা নাকোলে গিয়ে শ্রাবণীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আটক সাতজনের পাশাপাশি শ্রাবণীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুলের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। পরে আটক ব্যক্তিদের শ্রীপুর থানায় সোপর্দ করা হয়। মামলার পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।