ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে প্রথম বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস উদযাপন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 24

ছবি সংগৃহীত

 

‘Innovate and Lead with Impact’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকস (DScE)। উদ্ভাবন, নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তাবৃত্তির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরতে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়।

ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের Department of Entrepreneurship Economics এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সহযোগিতায় কর্মসূচিটির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন  কবে কমবে তীব্র লোডশেডিং, সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও উদ্যোক্তা র‌্যালির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। র‌্যালির উদ্বোধন করেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BIDS)-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন। র‌্যালিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সদস্যসহ প্রায় ২০০ জন অংশ নেন। DScE ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে র‌্যালিটি পরীবাগ পর্যন্ত গিয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় দিনের প্রধান আনুষ্ঠানিক পর্ব। সেমিনারে উদ্যোক্তাবৃত্তি, উদ্ভাবন, নেতৃত্ব এবং কার্যকর উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী নেতা, পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক, ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম ভূঁইয়া।

আনুষ্ঠানিক পর্বে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের মধ্য থেকে পাঁচজন উদ্যোক্তা এবং পাঁচজন উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ নিজেদের উদ্যোক্তা-ভাবনা, অভিজ্ঞতা ও ইকোসিস্টেম উন্নয়নে অবদান তুলে ধরেন।

তাদের উপস্থাপনায় ‘Innovate and Lead with Impact’ প্রতিপাদ্যের মূল ভাবনা প্রতিফলিত হয়। উদ্ভাবনী ধারণা ও উদ্যোক্তা নেতৃত্ব কীভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও মতামতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি তার বক্তব্যে তরুণ উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উদ্যোক্তা কর্মকাণ্ড অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।

দেশের জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল কাজে লাগাতে তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তাবৃত্তির বিকাশে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে উৎপাদনশীল উদ্যোগে রূপান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় তাদের অবদান রাখার সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পরিচালক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক উদ্যোক্তা উন্নয়নে শক্তিশালী সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠান ও প্ল্যাটফর্ম আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের, ndc (অব.) উদ্যোক্তাদের জন্য মূলধনপ্রাপ্তির সুযোগ সহজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। উদ্যোক্তাদের সফলতায় ব্যাংকিং খাতের ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ ছাড়া ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে.এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান এবং লাইভ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালাত মামুন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তারা উদ্যোক্তাবৃত্তি ও ব্যবসা উন্নয়ন নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উদ্ভাবন তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে উদ্যোক্তাবৃত্তি দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিচালিত হলে তা অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।

‘Innovate and Lead with Impact’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তরুণদের শুধু নতুন ধারণা তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সেসব ধারণাকে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধে রূপান্তরের জন্য নেতৃত্বের সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান জানানো হয়।

উদ্যোক্তা উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার গুরুত্বও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের তরুণদের জন্য সহায়ক ও গতিশীল উদ্যোক্তা পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে সক্ষম উদ্ভাবনী, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী উদ্যোক্তার নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন। Entrepreneurial Economists Club-এর সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম ভূঁইয়া সমাপনী বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন ক্লাবের সেক্রেটারি মেহরাব হোসাইন সায়েম।

বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬ উদযাপনের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের Department of Entrepreneurship Economics এবং Entrepreneurial Economists Club তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা নেতৃত্ব ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিকারী উদ্যোগ বিকাশে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে প্রথম বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস উদযাপন

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

‘Innovate and Lead with Impact’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকস (DScE)। উদ্ভাবন, নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তাবৃত্তির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরতে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়।

ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের Department of Entrepreneurship Economics এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সহযোগিতায় কর্মসূচিটির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন  গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে দ্রুতই পথরেখা আসছে: ড. আলী রীয়াজ

সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও উদ্যোক্তা র‌্যালির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। র‌্যালির উদ্বোধন করেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BIDS)-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন। র‌্যালিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সদস্যসহ প্রায় ২০০ জন অংশ নেন। DScE ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে র‌্যালিটি পরীবাগ পর্যন্ত গিয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় দিনের প্রধান আনুষ্ঠানিক পর্ব। সেমিনারে উদ্যোক্তাবৃত্তি, উদ্ভাবন, নেতৃত্ব এবং কার্যকর উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী নেতা, পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক, ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম ভূঁইয়া।

আনুষ্ঠানিক পর্বে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের মধ্য থেকে পাঁচজন উদ্যোক্তা এবং পাঁচজন উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ নিজেদের উদ্যোক্তা-ভাবনা, অভিজ্ঞতা ও ইকোসিস্টেম উন্নয়নে অবদান তুলে ধরেন।

তাদের উপস্থাপনায় ‘Innovate and Lead with Impact’ প্রতিপাদ্যের মূল ভাবনা প্রতিফলিত হয়। উদ্ভাবনী ধারণা ও উদ্যোক্তা নেতৃত্ব কীভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও মতামতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি তার বক্তব্যে তরুণ উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উদ্যোক্তা কর্মকাণ্ড অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।

দেশের জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল কাজে লাগাতে তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তাবৃত্তির বিকাশে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে উৎপাদনশীল উদ্যোগে রূপান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় তাদের অবদান রাখার সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পরিচালক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক উদ্যোক্তা উন্নয়নে শক্তিশালী সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠান ও প্ল্যাটফর্ম আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের, ndc (অব.) উদ্যোক্তাদের জন্য মূলধনপ্রাপ্তির সুযোগ সহজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। উদ্যোক্তাদের সফলতায় ব্যাংকিং খাতের ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ ছাড়া ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে.এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান এবং লাইভ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালাত মামুন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তারা উদ্যোক্তাবৃত্তি ও ব্যবসা উন্নয়ন নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উদ্ভাবন তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে উদ্যোক্তাবৃত্তি দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিচালিত হলে তা অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।

‘Innovate and Lead with Impact’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তরুণদের শুধু নতুন ধারণা তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সেসব ধারণাকে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধে রূপান্তরের জন্য নেতৃত্বের সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান জানানো হয়।

উদ্যোক্তা উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার গুরুত্বও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের তরুণদের জন্য সহায়ক ও গতিশীল উদ্যোক্তা পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে সক্ষম উদ্ভাবনী, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী উদ্যোক্তার নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন। Entrepreneurial Economists Club-এর সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম ভূঁইয়া সমাপনী বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন ক্লাবের সেক্রেটারি মেহরাব হোসাইন সায়েম।

বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬ উদযাপনের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের Department of Entrepreneurship Economics এবং Entrepreneurial Economists Club তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা নেতৃত্ব ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিকারী উদ্যোগ বিকাশে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।