ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের

১০ মাস পর ধরা পড়ল জন্মদাত্রী মায়ের হন্তারক; চকরিয়া থেকে গ্রেফতার দম্পতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 145

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মা রেহেনা বেগমকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন এলাকায় এক যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫-এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, নিহত রেহেনা বেগম তার ছোট ছেলে কাশেম ও পুত্রবধূ নারগিছ আক্তারের সঙ্গেই বসবাস করতেন। তার বড় ছেলে বেলাল প্রবাসে থাকতেন এবং অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য নিয়মিত ছোট ভাই কাশেমের কাছে টাকা পাঠাতেন।
অভিযোগ রয়েছে, কাশেম সেই টাকা মায়ের চিকিৎসার কাজে ব্যয় না করে নিজের ব্যক্তিগত কাজে খরচ করে ফেলতেন। এই বিষয় নিয়ে মায়ের সাথে কাশেম ও তার স্ত্রীর দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত।

পারিবারিক কলহেরই জেরে গত বছরের ৫ জুন রাতে কাশেম ও তার স্ত্রী পরস্পর যোগসাজশে ধারালো দা দিয়ে ঘুমন্ত রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার পর থেকেই তারা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এই নৃশংস ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

আরও পড়ুন  জুরাইনে পরিত্যক্ত বাসা থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

র‍্যাব জানায়, আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে গত ১০ মাস ধরে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছিল। সর্বশেষ চকরিয়ার লক্ষ্যারচর এলাকায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাবের বিশেষ দল সেখানে হানা দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

নিজেদের জন্মদাত্রী মাকে এভাবে হত্যার ঘটনায় বাঁশখালী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আসামিরা ধরা পড়ায় ভুক্তভোগীর পরিবার এবং স্থানীয় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

১০ মাস পর ধরা পড়ল জন্মদাত্রী মায়ের হন্তারক; চকরিয়া থেকে গ্রেফতার দম্পতি

আপডেট সময় ০২:৩১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মা রেহেনা বেগমকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন এলাকায় এক যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫-এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, নিহত রেহেনা বেগম তার ছোট ছেলে কাশেম ও পুত্রবধূ নারগিছ আক্তারের সঙ্গেই বসবাস করতেন। তার বড় ছেলে বেলাল প্রবাসে থাকতেন এবং অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য নিয়মিত ছোট ভাই কাশেমের কাছে টাকা পাঠাতেন।
অভিযোগ রয়েছে, কাশেম সেই টাকা মায়ের চিকিৎসার কাজে ব্যয় না করে নিজের ব্যক্তিগত কাজে খরচ করে ফেলতেন। এই বিষয় নিয়ে মায়ের সাথে কাশেম ও তার স্ত্রীর দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত।

পারিবারিক কলহেরই জেরে গত বছরের ৫ জুন রাতে কাশেম ও তার স্ত্রী পরস্পর যোগসাজশে ধারালো দা দিয়ে ঘুমন্ত রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার পর থেকেই তারা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এই নৃশংস ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

আরও পড়ুন  জুরাইনে পরিত্যক্ত বাসা থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

র‍্যাব জানায়, আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে গত ১০ মাস ধরে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছিল। সর্বশেষ চকরিয়ার লক্ষ্যারচর এলাকায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাবের বিশেষ দল সেখানে হানা দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

নিজেদের জন্মদাত্রী মাকে এভাবে হত্যার ঘটনায় বাঁশখালী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আসামিরা ধরা পড়ায় ভুক্তভোগীর পরিবার এবং স্থানীয় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।