ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু

আছিয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি কার্যকর করে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক: হাসনাত-সারজিস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 470

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরায় নির্যাতিত শিশু আছিয়া আর বেঁচে নেই। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আছিয়ার মৃত্যুর খবরে সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ স্যোশাল মিডিয়ায় ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাচ্ছেন।

নির্যাতিত শিশুর মৃত্যুর খবরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তাদের ফেসবুক পেজে একই স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তারা লিখেছেন, “আমাদের বোন আছিয়া আর নেই। আছিয়ার ধর্ষণের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ষকদের শাস্তির একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হোক।”

আরও পড়ুন  আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটুর মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ জানান। তারা আরও বলেন, “বিচারের নামে যে ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছে, আছিয়ার ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে সেই বিচার ব্যবস্থা আবার প্রাণ ফিরে পাক। আমরা পুরো দেশ আছিয়ার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, লজ্জিত।”

এদিকে, শিশুটির মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি আসামিদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।

এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা, যা সবার জন্য গভীর চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচই মার্চ মাগুরার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আছিয়া ধর্ষণের শিকার হয়। এ বিষয়ে শিশুটির মা মামলা করলে, পুলিশ শ্বশুর, ভাশুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত করছে।

দেশবাসীর একত্রিত প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে, যাতে এই ধরনের পৈশাচিকতা আর কখনও ঘটে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আছিয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি কার্যকর করে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক: হাসনাত-সারজিস

আপডেট সময় ০৮:২৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরায় নির্যাতিত শিশু আছিয়া আর বেঁচে নেই। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আছিয়ার মৃত্যুর খবরে সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ স্যোশাল মিডিয়ায় ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাচ্ছেন।

নির্যাতিত শিশুর মৃত্যুর খবরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তাদের ফেসবুক পেজে একই স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তারা লিখেছেন, “আমাদের বোন আছিয়া আর নেই। আছিয়ার ধর্ষণের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ষকদের শাস্তির একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হোক।”

আরও পড়ুন  ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের উত্তাল বিক্ষোভ

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ জানান। তারা আরও বলেন, “বিচারের নামে যে ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছে, আছিয়ার ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে সেই বিচার ব্যবস্থা আবার প্রাণ ফিরে পাক। আমরা পুরো দেশ আছিয়ার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, লজ্জিত।”

এদিকে, শিশুটির মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি আসামিদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।

এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা, যা সবার জন্য গভীর চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচই মার্চ মাগুরার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আছিয়া ধর্ষণের শিকার হয়। এ বিষয়ে শিশুটির মা মামলা করলে, পুলিশ শ্বশুর, ভাশুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত করছে।

দেশবাসীর একত্রিত প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে, যাতে এই ধরনের পৈশাচিকতা আর কখনও ঘটে না।