ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

কেরু কোম্পানিতে সন্দেহজনক বস্তু: পুলিশ নিশ্চিত করেছে ককটেল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 435

ছবি সংগৃহীত

 

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের চত্বরে গতকাল একটি বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, সকালে কোম্পানির একজন কর্মচারী চত্বরে একটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটির প্রাথমিক তদন্ত করে। তদন্তে জানা যায় যে বস্তুটি আসলে একটি ককটেল ছিল। তবে, ককটেলটি বিস্ফোরিত হয়নি এবং সম্ভবত কোনো অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু, এটি সেখানে কীভাবে এসেছিল বা কারা রেখে গিয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

আরও পড়ুন  ফার্মগেটে ককটেল সদৃশ তিনটি বস্তু উদ্ধার, সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল টিম নিষ্ক্রিয় করলো

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি। তবে, আমরা খতিয়ে দেখছি, কারা এর সাথে জড়িত।”

এই ঘটনার পরে কেরু কোম্পানি এবং এর আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করলেও, পুলিশ তাদের আশ্বস্ত করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, তারা স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে এবং কোম্পানির কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। একই সাথে, জনসাধারণকে সতর্ক থাকার এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

কেরু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, “আমরা পুলিশের সাথে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছি এবং আশা করছি, খুব শীঘ্রই এর রহস্য উদঘাটন হবে।”

এই ঘটনায় কেরু কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে ঘটনাটিকে হালকাভাবে নিলেও, কেউ কেউ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে, পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত এর সমাধান হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কেরু কোম্পানিতে সন্দেহজনক বস্তু: পুলিশ নিশ্চিত করেছে ককটেল

আপডেট সময় ১১:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের চত্বরে গতকাল একটি বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, সকালে কোম্পানির একজন কর্মচারী চত্বরে একটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটির প্রাথমিক তদন্ত করে। তদন্তে জানা যায় যে বস্তুটি আসলে একটি ককটেল ছিল। তবে, ককটেলটি বিস্ফোরিত হয়নি এবং সম্ভবত কোনো অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু, এটি সেখানে কীভাবে এসেছিল বা কারা রেখে গিয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

আরও পড়ুন  মুন্সীগঞ্জে ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি। তবে, আমরা খতিয়ে দেখছি, কারা এর সাথে জড়িত।”

এই ঘটনার পরে কেরু কোম্পানি এবং এর আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করলেও, পুলিশ তাদের আশ্বস্ত করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, তারা স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে এবং কোম্পানির কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। একই সাথে, জনসাধারণকে সতর্ক থাকার এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

কেরু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, “আমরা পুলিশের সাথে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছি এবং আশা করছি, খুব শীঘ্রই এর রহস্য উদঘাটন হবে।”

এই ঘটনায় কেরু কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে ঘটনাটিকে হালকাভাবে নিলেও, কেউ কেউ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে, পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত এর সমাধান হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।