জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকা ও সচেতনতার তাগিদ: প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৫:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 33
জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে আগেই রোগটি প্রতিরোধ ও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া গেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেক কমানো সম্ভব।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, শহরের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক নিয়ে সচেতনতা তুলনামূলক বেশি। তবে গ্রাম ও প্রান্তিক এলাকায় এ বিষয়ে সচেতনতা কম। ফলে এসব এলাকায় জলাতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনাও বেশি দেখা যায়। তাই শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও রোগটি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
সারা দেশে আগের মতো জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে একসঙ্গে বিবেচনা করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কৃষক ও খামারিদের সচেতনতা বাড়াতে হবে।
প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে সেমিনার, প্রচার-প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের তদারকি জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন।
আলোচনা সভায় দেশে জলাতঙ্কের বর্তমান পরিস্থিতি, কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক নির্মূলের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
এর আগে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, ভেটেরিনারিয়ান, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।






















