ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

জুয়ার আসর থেকে চার পুলিশ সদস্য আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 59

ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় আরও দুই পুলিশ সদস্য পালিয়ে যান। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়া এলাকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন— পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত এএসআই শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল আলমগীর কবির (৩৩) এবং সদর ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: বিপুল অস্ত্রসহ বনদস্যুর ২ সদস্য আটক

পুলিশ জানায়, কয়েক দিন ধরে ওই পরিত্যক্ত ঘরে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের জুয়া খেলার তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। ধাওয়া করতে গিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানা আহত হন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে তাস, নগদ টাকা ও কয়েকটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। পাশ থেকে চারটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) ও পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮) পালিয়ে যান। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মঙ্গলবার মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এতে ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পাল বলেন, অপরাধের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পলাতক দুজনকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, আটক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও সাধারণ অপরাধীদের মতোই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুয়ার আসর থেকে চার পুলিশ সদস্য আটক

আপডেট সময় ০৩:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় আরও দুই পুলিশ সদস্য পালিয়ে যান। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়া এলাকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন— পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত এএসআই শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল আলমগীর কবির (৩৩) এবং সদর ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।

আরও পড়ুন  মিরপুর-১ গোলচত্বরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএনসিসির অভিযান

পুলিশ জানায়, কয়েক দিন ধরে ওই পরিত্যক্ত ঘরে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের জুয়া খেলার তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। ধাওয়া করতে গিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানা আহত হন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে তাস, নগদ টাকা ও কয়েকটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। পাশ থেকে চারটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) ও পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮) পালিয়ে যান। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মঙ্গলবার মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এতে ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পাল বলেন, অপরাধের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পলাতক দুজনকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, আটক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও সাধারণ অপরাধীদের মতোই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।