সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ছে: কৃষিমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৭:১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 19
দেশে সারের সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তবে সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় সারের চাহিদা বেশি থাকায় সাময়িক সংকট দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর জন্য বিজিবিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশের খুব অল্প কয়েকটি এলাকায় সারের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যেসব জেলার পাশে সীমান্ত রয়েছে এবং সীমান্তের ওপারেও কৃষিকাজ হয়, সেসব এলাকায় সারের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে।
সরকারি সার যাতে কোনো অসাধু চক্র অপচয় করতে না পারে কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
মন্ত্রী জানান, দেশে ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই। বছরে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার বেশি ভর্তুকি দিয়ে সরবরাহ করে এমন দু-এক ধরনের সারের চাহিদা কোনো কোনো এলাকায় বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছে।
সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আমিন উর রশিদ বলেন, আগে প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে সার ডিলার ছিলেন। কিন্তু আবাদি জমি ও চাষাবাদ বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
চলতি মাস থেকেই নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ শুরু হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি নতুন ডিলারদের জন্য সার বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। এতে আগামী রোপণ মৌসুমে সারের সংকট থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
এর আগে রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের প্রযুক্তি পরিদর্শন করেন কৃষিমন্ত্রী।
এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান, উপপরিচালক মো. মোস্তফা কামাল এবং বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
























