ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৫ জনের ৪ জনই একই পরিবারের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 84

ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) একটি যাত্রীবাহী বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ঘটে যাওয়া মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজন সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শংকরপাশা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর থেকে এক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসছিল একটি অ্যাম্বুলেন্স। পথে অ্যাম্বুলেন্সটি শংকরপাশা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশালগামী দ্রুতগতির একটি বিআরটিসি বাসের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ পাঁচজন আরোহীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার কাজে হাত দেন এবং পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।

আরও পড়ুন  শেরপুরে গারো পাহাড়ে আবারও হাতির আক্রমণ, নিহত ২

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের হাজী আব্দুল ওয়াহেদ মোল্যা, তাঁর দুই ছেলে আলমগীর হোসেন (৫৮) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (৬২), আলমগীর হোসেনের স্ত্রী খুশি বেগম (৪৫) এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী মাজেদা বেগম (৫০)। এছাড়া নিহত অ্যাম্বুলেন্স চালকের নাম কাউছার হোসেন (২২), যিনি মাদারীপুর সদর এলাকার শাহজাহান মাতুব্বরের ছেলে। নিহতদের পারিবারিক স্বজনরা জানান, পরিবারের এক অসুস্থ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই পুরো পরিবারটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন দুর্ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। নিহতদের সবার মরদেহ দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্স থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্সটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৫ জনের ৪ জনই একই পরিবারের

আপডেট সময় ০১:১৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) একটি যাত্রীবাহী বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ঘটে যাওয়া মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজন সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শংকরপাশা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর থেকে এক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসছিল একটি অ্যাম্বুলেন্স। পথে অ্যাম্বুলেন্সটি শংকরপাশা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশালগামী দ্রুতগতির একটি বিআরটিসি বাসের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ পাঁচজন আরোহীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার কাজে হাত দেন এবং পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।

আরও পড়ুন  গুয়াতেমালায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৫১, শোকের ছায়া দেশজুড়ে

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের হাজী আব্দুল ওয়াহেদ মোল্যা, তাঁর দুই ছেলে আলমগীর হোসেন (৫৮) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (৬২), আলমগীর হোসেনের স্ত্রী খুশি বেগম (৪৫) এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী মাজেদা বেগম (৫০)। এছাড়া নিহত অ্যাম্বুলেন্স চালকের নাম কাউছার হোসেন (২২), যিনি মাদারীপুর সদর এলাকার শাহজাহান মাতুব্বরের ছেলে। নিহতদের পারিবারিক স্বজনরা জানান, পরিবারের এক অসুস্থ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই পুরো পরিবারটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন দুর্ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। নিহতদের সবার মরদেহ দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্স থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্সটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।