ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীকে আরও সচেতন হতে হবে: চসিক মেয়র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 91

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের নানামুখী পদক্ষেপের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য নগরবাসীকেও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

আজ রোববার (৩ মে) নগরের ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী, ২৬ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ী এবং ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে চলমান নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  টানা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: রয়েছে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের ঝুঁকি

নালা-নর্দমায় বর্জ্য ফেলার কুফল তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিন-রাত নালা পরিষ্কার করে যাচ্ছেন। কিন্তু পরিষ্কার করার পরপরই যদি আবার সেখানে প্লাস্টিক, পলিথিন ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলা হয়, তবে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান কখনোই সম্ভব নয়।’ তিনি নগরবাসীকে যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলার অনুরোধ জানান।

পরিদর্শনকালে মেয়র সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে আগ্রাবাদসহ কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, গুলজার খাল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেট নির্মাণকাজের জন্য একটি অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছে। এই বাঁধের কারণে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াসহ আশপাশের এলাকায় পানি জমে সাময়িক ভোগান্তি হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির জন্য তিনি এলাকাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

মেয়র জানান, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে স্লুইস গেট নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নগরের পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গত বছর আমরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসনে সফল হয়েছি। বর্তমানে চলমান খাল সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজ শেষ হলে নগরবাসী এর সুফল আরও ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক নির্দেশনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রতি সপ্তাহে নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ ও নালা পরিষ্কার রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীকে আরও সচেতন হতে হবে: চসিক মেয়র

আপডেট সময় ০৩:৪১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের নানামুখী পদক্ষেপের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য নগরবাসীকেও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

আজ রোববার (৩ মে) নগরের ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী, ২৬ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ী এবং ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে চলমান নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে জলাবদ্ধতা ও যানজট, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে পুলিশের পরামর্শ

নালা-নর্দমায় বর্জ্য ফেলার কুফল তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিন-রাত নালা পরিষ্কার করে যাচ্ছেন। কিন্তু পরিষ্কার করার পরপরই যদি আবার সেখানে প্লাস্টিক, পলিথিন ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলা হয়, তবে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান কখনোই সম্ভব নয়।’ তিনি নগরবাসীকে যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলার অনুরোধ জানান।

পরিদর্শনকালে মেয়র সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে আগ্রাবাদসহ কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, গুলজার খাল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেট নির্মাণকাজের জন্য একটি অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছে। এই বাঁধের কারণে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াসহ আশপাশের এলাকায় পানি জমে সাময়িক ভোগান্তি হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির জন্য তিনি এলাকাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

মেয়র জানান, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে স্লুইস গেট নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নগরের পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গত বছর আমরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসনে সফল হয়েছি। বর্তমানে চলমান খাল সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজ শেষ হলে নগরবাসী এর সুফল আরও ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক নির্দেশনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রতি সপ্তাহে নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ ও নালা পরিষ্কার রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।