ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা কক্সবাজারে ট্রলারডুবি, নিহত ২

বংশালে মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 144

ছবি: সংগৃহীত

পুরান ঢাকার বংশাল এলাকার কেপি ঘোষ স্ট্রিটের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ ও বাণিজ্যিক এই এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই প্রথমে দুটি এবং পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও একটি ইউনিট সেখানে পাঠানো হয়। আগুনের তীব্রতার পাশাপাশি পুরো এলাকায় ঘন কালো ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বংশাল এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যে গলিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে সেটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়িগুলো ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মূল ভবন থেকে প্রায় ২০-২৫ গজ দূরে গাড়ি রেখে লম্বা পাইপের মাধ্যমে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। দীর্ঘক্ষণ ধোঁয়া থাকার পর হঠাৎ আগুনের শিখা দেখা যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ছোট ছোট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন  শ্যামপুরে জুতার কারখানায় ভয়াবহ আগুন

বিপজ্জনক এই ভবনটির নিচে বেশ কয়েকটি দোকান ও গুদাম রয়েছে বলে জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুনের সঠিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাতভর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছেন। আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছাতে এবং ধোঁয়া সরাতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় পার্শ্ববর্তী ভবনগুলোতে যেন আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বংশালে মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট

আপডেট সময় ১০:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

পুরান ঢাকার বংশাল এলাকার কেপি ঘোষ স্ট্রিটের একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ ও বাণিজ্যিক এই এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই প্রথমে দুটি এবং পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও একটি ইউনিট সেখানে পাঠানো হয়। আগুনের তীব্রতার পাশাপাশি পুরো এলাকায় ঘন কালো ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বংশাল এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যে গলিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে সেটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়িগুলো ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মূল ভবন থেকে প্রায় ২০-২৫ গজ দূরে গাড়ি রেখে লম্বা পাইপের মাধ্যমে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। দীর্ঘক্ষণ ধোঁয়া থাকার পর হঠাৎ আগুনের শিখা দেখা যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ছোট ছোট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন  শ্যামপুরে জুতার কারখানায় ভয়াবহ আগুন

বিপজ্জনক এই ভবনটির নিচে বেশ কয়েকটি দোকান ও গুদাম রয়েছে বলে জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুনের সঠিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাতভর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছেন। আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছাতে এবং ধোঁয়া সরাতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় পার্শ্ববর্তী ভবনগুলোতে যেন আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।