ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

অতিরিক্ত ভাড়া ও যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ, ট্রাক-পিকআপেই ফিরছেন অনেকে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • / 154

ছবি সংগৃহীত

 

ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢলে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক–এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও থেমে থেমে দীর্ঘ সময় যান চলাচল করছে, আবার কোথাও স্থবির হয়ে পড়েছে সড়ক। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা গেছে চন্দ্রা ত্রিমোড়, কালিয়াকৈর ও আশপাশের এলাকায়। এসব এলাকায় অন্তত ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের কঠোর অভিযান, আইন লঙ্ঘনে ১৪৪৫ মামলা, ২২২ গাড়ি ডাম্পিং

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাতভর বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে কাদাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে এলোমেলো পার্কিং, যাত্রী ওঠানামা, উল্টো পথে অটোরিকশা চলাচল—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

এদিকে যানজটের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে যানবাহন সংকট। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই যানবাহন পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে কেউ ট্রাক, পিকআপ বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনে চড়ে গন্তব্যের পথে রওনা হচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, এই সুযোগে পরিবহনগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে। ফলে বাড়তি খরচ ও ভোগান্তি—দুই দিক থেকেই চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

চান্দনা চৌরাস্তা, বোর্ড বাজার ও টঙ্গী এলাকায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং ও অতিরিক্ত ভিড়ে যান চলাচল আরও ধীর হয়ে পড়েছে।

যাত্রীরা জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও বাস না পেয়ে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন বা বিকল্প পথে যাত্রা করছেন। কেউ কেউ পরিবার নিয়ে ঝুঁকি নিয়েই ট্রাকে চড়ছেন শুধু ঈদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য।

হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় হঠাৎ করেই যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। যানজট নিরসনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দিনের দ্বিতীয় ভাগে চাপ কিছুটা কমতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতিরিক্ত ভাড়া ও যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ, ট্রাক-পিকআপেই ফিরছেন অনেকে

আপডেট সময় ০১:১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

 

ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢলে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক–এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও থেমে থেমে দীর্ঘ সময় যান চলাচল করছে, আবার কোথাও স্থবির হয়ে পড়েছে সড়ক। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা গেছে চন্দ্রা ত্রিমোড়, কালিয়াকৈর ও আশপাশের এলাকায়। এসব এলাকায় অন্তত ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজধানীর যানজট নিরসনে নতুন অবকাঠামো পরিকল্পনা

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাতভর বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে কাদাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে এলোমেলো পার্কিং, যাত্রী ওঠানামা, উল্টো পথে অটোরিকশা চলাচল—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

এদিকে যানজটের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে যানবাহন সংকট। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই যানবাহন পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে কেউ ট্রাক, পিকআপ বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনে চড়ে গন্তব্যের পথে রওনা হচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, এই সুযোগে পরিবহনগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে। ফলে বাড়তি খরচ ও ভোগান্তি—দুই দিক থেকেই চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

চান্দনা চৌরাস্তা, বোর্ড বাজার ও টঙ্গী এলাকায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং ও অতিরিক্ত ভিড়ে যান চলাচল আরও ধীর হয়ে পড়েছে।

যাত্রীরা জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও বাস না পেয়ে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন বা বিকল্প পথে যাত্রা করছেন। কেউ কেউ পরিবার নিয়ে ঝুঁকি নিয়েই ট্রাকে চড়ছেন শুধু ঈদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য।

হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় হঠাৎ করেই যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। যানজট নিরসনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দিনের দ্বিতীয় ভাগে চাপ কিছুটা কমতে পারে।