ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
তেলাপোকার আন্দোলন ইস্যুতে মুখ খুললেন মোদি ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বললেন লা লিগা সভাপতি গুগলের নতুন নিয়মে ব্যাকআপও গুনবে স্টোরেজ পূর্বশত্রুতার জেরে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা আটকের ঘণ্টা কয়েক পর মুক্তি পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে বিক্ষোভ, যানজটে হাজারো মানুষ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 797

ছবি: সংগৃহীত

 

কক্সবাজার-টেকনাফ শহিদ এটিএম জাফর আলম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত স্থানীয় শিক্ষকরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে তাদের সড়ক অবরোধের কারণে ক্যাম্পে দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মরতরা যেতে পারছেন না। এতে সকাল থেকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সড়কের দুপাশে আটকা পড়ে শত শত যানবাহন। প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

আরও পড়ুন  মহাসড়কে ২০০ সিলিন্ডারসহ উল্টে গেল ট্রাক, একের পর এক বিস্ফোরণ

বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অর্থ সংকটের কারণে দাতাসংস্থা ইউনিসেফ ও অন্যান্য এনজিও সংস্থা তাদের চাকরি টালবাহানা করছে। বিষয়টি নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে। পরে প্রশাসনের আশ্বাস পাওয়ার পরও কোনো সমাধান হয়নি। এজন্য তারা দাবি আদায়ের জন্য আবারও আন্দোলনে নেমেছেন।

স্থানীয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম শামীম বলেন, আমরা দাবি করছি, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হোক এবং ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।

ক্যাভার্ডভ্যান চালক ইদ্রিস বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা। দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছি, খুবই কষ্ট হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় কিছু এনজিও কর্মী ক্যাম্পে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে যেতে পারেননি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজিব গণমাধ্যমকে বলেন, ‌আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১২০০ স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মূলত বেতন বৃদ্ধির দাবি জানানো হলে তাদের চাকরি থেকে ছাটাই দেওয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনও দায়িত্বে বহাল আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে বিক্ষোভ, যানজটে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় ০১:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

 

কক্সবাজার-টেকনাফ শহিদ এটিএম জাফর আলম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত স্থানীয় শিক্ষকরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে তাদের সড়ক অবরোধের কারণে ক্যাম্পে দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মরতরা যেতে পারছেন না। এতে সকাল থেকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সড়কের দুপাশে আটকা পড়ে শত শত যানবাহন। প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

আরও পড়ুন  ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটারজুড়ে যানজট: বিপাকে ঘরমুখো মানুষ

বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অর্থ সংকটের কারণে দাতাসংস্থা ইউনিসেফ ও অন্যান্য এনজিও সংস্থা তাদের চাকরি টালবাহানা করছে। বিষয়টি নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে। পরে প্রশাসনের আশ্বাস পাওয়ার পরও কোনো সমাধান হয়নি। এজন্য তারা দাবি আদায়ের জন্য আবারও আন্দোলনে নেমেছেন।

স্থানীয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম শামীম বলেন, আমরা দাবি করছি, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হোক এবং ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।

ক্যাভার্ডভ্যান চালক ইদ্রিস বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা। দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছি, খুবই কষ্ট হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় কিছু এনজিও কর্মী ক্যাম্পে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে যেতে পারেননি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজিব গণমাধ্যমকে বলেন, ‌আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১২০০ স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মূলত বেতন বৃদ্ধির দাবি জানানো হলে তাদের চাকরি থেকে ছাটাই দেওয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনও দায়িত্বে বহাল আছেন।