ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নরসিংদীতে ইউপি সদস্যের স্বামীকে গুলি করে হত্যা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 3085

ছবি: সংগৃহীত

 

নরসিংদীর রায়পুরায় রফিকুল ইসলাম সরকার (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আমানউল্লাহ নামে এক যুবক আহত হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরমধুয়া ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  যশোরে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

নিহত রফিকুল ইসলাম সরকার ওই এলাকার হাজী মঙ্গল মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী লাভলী আক্তার স্থানীয় ৪,৫ ও ৬ নং ওর্য়াড-এর মহিলা ইউপি সদস্য।

স্বজনরা জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরমধুয়া গ্রামের গাজীপুর গ্রামের রিফাত, নয়নদের সঙ্গে নিহত রফিকুল ইসলাম সরকারের মতোবিরোধ সৃষ্টি হয়। একে কেন্দ্র করে রিফাত ও নয়ন সঙ্গবদ্ধভাবে রফিককে মেরে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরই মধ্যে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় বাজার থেকে রফিক ও আমানউল্লাহ নামে এক যুবক বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রফিক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আর আমানউল্লাহ ও আহত হয়। পরে রফিককে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর আমানউল্লাহকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়। এদিকে রফিকের মৃত্যুর সংবাদ পরিবার স্বজন ও এলাকাবাসির মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসে। এসময় স্বজনরা হাসপাতাল চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

নিহতের ভাই মোস্তাকিম বলেন, আমার ভাই খুব ভালো মানুষ ছিল। সে এলাকার সকল মানুষের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতো। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হানিফা, রিফাত, নয়ন, জামালসহ আরো কয়েকজন মিলে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে। আমি এহত্যার বিচার চাই।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলাম জানায়, রফিককে মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরের পিঠে ক্ষত পাওয়া গিয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীতে ইউপি সদস্যের স্বামীকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

নরসিংদীর রায়পুরায় রফিকুল ইসলাম সরকার (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আমানউল্লাহ নামে এক যুবক আহত হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরমধুয়া ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  নরসিংদীর শিবপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেলের ৩ আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু

নিহত রফিকুল ইসলাম সরকার ওই এলাকার হাজী মঙ্গল মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী লাভলী আক্তার স্থানীয় ৪,৫ ও ৬ নং ওর্য়াড-এর মহিলা ইউপি সদস্য।

স্বজনরা জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরমধুয়া গ্রামের গাজীপুর গ্রামের রিফাত, নয়নদের সঙ্গে নিহত রফিকুল ইসলাম সরকারের মতোবিরোধ সৃষ্টি হয়। একে কেন্দ্র করে রিফাত ও নয়ন সঙ্গবদ্ধভাবে রফিককে মেরে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরই মধ্যে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় বাজার থেকে রফিক ও আমানউল্লাহ নামে এক যুবক বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রফিক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আর আমানউল্লাহ ও আহত হয়। পরে রফিককে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর আমানউল্লাহকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়। এদিকে রফিকের মৃত্যুর সংবাদ পরিবার স্বজন ও এলাকাবাসির মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসে। এসময় স্বজনরা হাসপাতাল চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

নিহতের ভাই মোস্তাকিম বলেন, আমার ভাই খুব ভালো মানুষ ছিল। সে এলাকার সকল মানুষের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতো। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হানিফা, রিফাত, নয়ন, জামালসহ আরো কয়েকজন মিলে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে। আমি এহত্যার বিচার চাই।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলাম জানায়, রফিককে মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরের পিঠে ক্ষত পাওয়া গিয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।