ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাদি হত্যার বিচার, ৯০ দিনের মধ্যে রায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 525

ছবি সংগৃহীত

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। পোস্টে আইন উপদেষ্টা বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন, ২০০২-এর ১০ ধারার আওতায় এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুন  দুদক কর্তৃক কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের রায় সংগ্রহের প্রচেষ্টা।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।

গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাদির মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার সেখান থেকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। জানাজা শেষে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়, যেখানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাদি হত্যার বিচার, ৯০ দিনের মধ্যে রায়

আপডেট সময় ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। পোস্টে আইন উপদেষ্টা বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন, ২০০২-এর ১০ ধারার আওতায় এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুন  হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।

গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাদির মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার সেখান থেকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। জানাজা শেষে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়, যেখানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।