০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাদি হত্যার বিচার, ৯০ দিনের মধ্যে রায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 163

ছবি সংগৃহীত

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। পোস্টে আইন উপদেষ্টা বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন, ২০০২-এর ১০ ধারার আওতায় এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।

গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাদির মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার সেখান থেকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। জানাজা শেষে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়, যেখানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাদি হত্যার বিচার, ৯০ দিনের মধ্যে রায়

আপডেট সময় ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। পোস্টে আইন উপদেষ্টা বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন, ২০০২-এর ১০ ধারার আওতায় এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।

গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাদির মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার সেখান থেকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। জানাজা শেষে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়, যেখানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।