ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 261

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবা মো. মোতাহারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) জানান, অর্থদণ্ডের এই টাকা আদায়ের জন্য আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভিকটিমকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে মোতাহারকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়ে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম তার মা ও সৎ বাবার সঙ্গে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একই ঘরে বসবাস করতো। পৃথক ঘরের ব্যবস্থা না থাকায় একত্রে বসবাস করতে হতো তাদের। এই অবস্থায় মোতাহার বিভিন্ন সময় মেয়েটিকে কুপ্রস্তাব দিতো।

২০২১ সালের ২০ জুন রাতে মোতাহার ভিকটিমকে প্রথমবার ধর্ষণ করে এবং কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর রাতে আবারও একই অপরাধ করে সে। ঘটনার পরদিন ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানালে, মা ও সৎ বাবা তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এরপর সে তার নিজের বাবার কাছে চলে যায়।

ভিকটিম ২৪ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার এসআই আবুল হাসান। ২০২২ সালের ২৭ মে মোতাহারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। এরপর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে।

মামলার শুনানিতে আদালত আটজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সব দিক বিবেচনা করে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন, যা সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবা মো. মোতাহারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) জানান, অর্থদণ্ডের এই টাকা আদায়ের জন্য আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভিকটিমকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে মোতাহারকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম তার মা ও সৎ বাবার সঙ্গে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একই ঘরে বসবাস করতো। পৃথক ঘরের ব্যবস্থা না থাকায় একত্রে বসবাস করতে হতো তাদের। এই অবস্থায় মোতাহার বিভিন্ন সময় মেয়েটিকে কুপ্রস্তাব দিতো।

২০২১ সালের ২০ জুন রাতে মোতাহার ভিকটিমকে প্রথমবার ধর্ষণ করে এবং কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর রাতে আবারও একই অপরাধ করে সে। ঘটনার পরদিন ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানালে, মা ও সৎ বাবা তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এরপর সে তার নিজের বাবার কাছে চলে যায়।

ভিকটিম ২৪ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার এসআই আবুল হাসান। ২০২২ সালের ২৭ মে মোতাহারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। এরপর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে।

মামলার শুনানিতে আদালত আটজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সব দিক বিবেচনা করে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন, যা সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।