ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

শাহবাগ অবরোধে শিক্ষার্থীরা: কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ঢাকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 216

ছবি: সংগৃহীত

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) চলমান অস্থিরতার প্রতিবাদে এবং উপাচার্য মুহাম্মদ মাছুদ এর পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার পর থেকে শাহবাগে বিক্ষোভ শুরু হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে জড়ো হন। সেখানে ‘দফা এক দাবি এক, কুয়েট ভিসির পদত্যাগ’, ‘গোলামী চলবে না, দালালি চলবে না’, ‘শাহবাগ হবে প্রতিবাদের মুখপত্র’ এমন স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শাহবাগ মোড়।

আরও পড়ুন  ইরানের সব বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু: কঠোর অবস্থানে সেন্টকোম

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের ভাই অনশনে, আর প্রশাসন নির্বিকার।” তারা আরও অভিযোগ করেন, কুয়েট প্রশাসনের অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি চরম অবিচার।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-যুবদলের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম এবং আবাসিক হল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৩ এপ্রিল শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। এরপর ১৪ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে। একইসঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম ৪ মে এবং হলগুলো ২ মে খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা রাতেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ১৫ এপ্রিল তারা একযোগে বিভিন্ন হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন এবং এক দফা দাবি অর্থাৎ উপাচার্যের অপসারণ চূড়ান্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। কুয়েট ক্যাম্পাসের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে রাজধানীতেও। শাহবাগ মোড়ে অবরোধের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দিলেন, কুয়েটের ছাত্রদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচারের দাবিতে তারা একত্রিত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহবাগ অবরোধে শিক্ষার্থীরা: কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ঢাকা

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) চলমান অস্থিরতার প্রতিবাদে এবং উপাচার্য মুহাম্মদ মাছুদ এর পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার পর থেকে শাহবাগে বিক্ষোভ শুরু হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে জড়ো হন। সেখানে ‘দফা এক দাবি এক, কুয়েট ভিসির পদত্যাগ’, ‘গোলামী চলবে না, দালালি চলবে না’, ‘শাহবাগ হবে প্রতিবাদের মুখপত্র’ এমন স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শাহবাগ মোড়।

আরও পড়ুন  অবরোধ তুলে নিয়েছেন বিদেশ গমনেচ্ছুরা

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের ভাই অনশনে, আর প্রশাসন নির্বিকার।” তারা আরও অভিযোগ করেন, কুয়েট প্রশাসনের অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি চরম অবিচার।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-যুবদলের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম এবং আবাসিক হল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৩ এপ্রিল শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। এরপর ১৪ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে। একইসঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম ৪ মে এবং হলগুলো ২ মে খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা রাতেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ১৫ এপ্রিল তারা একযোগে বিভিন্ন হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন এবং এক দফা দাবি অর্থাৎ উপাচার্যের অপসারণ চূড়ান্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। কুয়েট ক্যাম্পাসের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে রাজধানীতেও। শাহবাগ মোড়ে অবরোধের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দিলেন, কুয়েটের ছাত্রদের প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচারের দাবিতে তারা একত্রিত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।