ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন আশার আলো দেখছে বিএনপি, ড. ইউনূস ও মোদির সাক্ষাৎ নতুন আশার দ্বার খুলেছে: মির্জা ফখরুল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 405

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলাদেশ ও ভারতের সরকার প্রধানদের সদ্য অনুষ্ঠিত বৈঠককে ‘নতুন সম্ভাবনার দ্বার’ হিসেবে দেখছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ দুই দেশের জনগণের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা নিয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগে সুইডেনকে আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই বৈঠকটি শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কিছুটা তিক্ততার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। এই সংলাপের মধ্য দিয়ে সেই সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে বলে আমরা মনে করি। সম্পর্কের উত্তাপ কমিয়ে আনার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

বিএনপি মনে করে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এবং সহযোগিতার নতুন এক অধ্যায় শুরু হতে পারে এই আলোচনার মধ্য দিয়ে। মির্জা ফখরুল বলেন, “যতটুকু আমরা জেনেছি, দু’জন নেতাই আন্তরিকভাবে আলাপ করেছেন এবং উভয়ের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল গঠনমূলক ও সমঝোতামূলক। এটা নিঃসন্দেহে দুই দেশের জনগণের উপকারে আসবে।”

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসও এই বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে দেখার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে যদি আঞ্চলিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়, সেটি অবশ্যই প্রশংসনীয়।”

ড. ইউনূসের মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতিশীলতা আনতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিএনপি নেতারা। সম্পর্কে নবতর গতি সৃষ্টির এই উদ্যোগকে বিএনপি ভবিষ্যতের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রার সূচনা হিসেবেই দেখছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন আশার আলো দেখছে বিএনপি, ড. ইউনূস ও মোদির সাক্ষাৎ নতুন আশার দ্বার খুলেছে: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০২:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

 

বাংলাদেশ ও ভারতের সরকার প্রধানদের সদ্য অনুষ্ঠিত বৈঠককে ‘নতুন সম্ভাবনার দ্বার’ হিসেবে দেখছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ দুই দেশের জনগণের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা নিয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগে সুইডেনকে আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই বৈঠকটি শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কিছুটা তিক্ততার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। এই সংলাপের মধ্য দিয়ে সেই সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে বলে আমরা মনে করি। সম্পর্কের উত্তাপ কমিয়ে আনার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

বিএনপি মনে করে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এবং সহযোগিতার নতুন এক অধ্যায় শুরু হতে পারে এই আলোচনার মধ্য দিয়ে। মির্জা ফখরুল বলেন, “যতটুকু আমরা জেনেছি, দু’জন নেতাই আন্তরিকভাবে আলাপ করেছেন এবং উভয়ের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল গঠনমূলক ও সমঝোতামূলক। এটা নিঃসন্দেহে দুই দেশের জনগণের উপকারে আসবে।”

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসও এই বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে দেখার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে যদি আঞ্চলিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়, সেটি অবশ্যই প্রশংসনীয়।”

ড. ইউনূসের মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতিশীলতা আনতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিএনপি নেতারা। সম্পর্কে নবতর গতি সৃষ্টির এই উদ্যোগকে বিএনপি ভবিষ্যতের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রার সূচনা হিসেবেই দেখছে।