ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

শীর্ষ বৈঠকের সম্ভাবনা, ইউনূস-মোদি বৈঠকে ঢাকার আগ্রহ, দিল্লির সাড়া প্রতীক্ষায়: পররাষ্ট্রসচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 445

ছবি সংগৃহীত

 

বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনাকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে ঢাকায়। তবে এখনও দিল্লির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সম্মতি আসেনি।

পররাষ্ট্রসচিব এম জসীম উদ্দিন মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ড. ইউনূসের আসন্ন চীন ও থাইল্যান্ড সফর সামনে রেখে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির অভিযোগে পররাষ্ট্রসচিবসহ ছয় সাবেক সচিবের অফিসার্স ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত

বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, “আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠককে গুরুত্ব দিয়ে দেখি। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা মনে করি, যদি এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, “বাংলাদেশ প্রস্তুত আমরা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এখন ভারতের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।”

এ সময় একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, দিল্লি প্রস্তুত কিনা তা কিভাবে জানা যাবে? জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, “দিল্লি প্রস্তুত কি না, সেটা দিল্লিই বলতে পারবে। তবে আমরা আশাবাদী ও অপেক্ষায় আছি।”

এই সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আব্দুল মোতালেব সরকার, মোহাম্মদ নূরে আলম ও মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন এক সময় এই সম্ভাব্য বৈঠকের কথা সামনে এলো, যখন আঞ্চলিক কূটনীতিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ ও দূরত্ব দেখা দিয়েছে। ফলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে তা শুধু বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কই নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বার্তা দিতে পারে।

এখন চোখ দিল্লির দিকে দেখা যাক মোদি সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষ বৈঠকের সম্ভাবনা, ইউনূস-মোদি বৈঠকে ঢাকার আগ্রহ, দিল্লির সাড়া প্রতীক্ষায়: পররাষ্ট্রসচিব

আপডেট সময় ০৪:৪৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনাকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে ঢাকায়। তবে এখনও দিল্লির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সম্মতি আসেনি।

পররাষ্ট্রসচিব এম জসীম উদ্দিন মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ড. ইউনূসের আসন্ন চীন ও থাইল্যান্ড সফর সামনে রেখে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন  ১৫ বছর পর আজ ঢাকায় বাংলাদেশ–পাকিস্তান পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক

বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, “আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠককে গুরুত্ব দিয়ে দেখি। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা মনে করি, যদি এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, “বাংলাদেশ প্রস্তুত আমরা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এখন ভারতের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।”

এ সময় একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, দিল্লি প্রস্তুত কিনা তা কিভাবে জানা যাবে? জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, “দিল্লি প্রস্তুত কি না, সেটা দিল্লিই বলতে পারবে। তবে আমরা আশাবাদী ও অপেক্ষায় আছি।”

এই সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আব্দুল মোতালেব সরকার, মোহাম্মদ নূরে আলম ও মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন এক সময় এই সম্ভাব্য বৈঠকের কথা সামনে এলো, যখন আঞ্চলিক কূটনীতিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ ও দূরত্ব দেখা দিয়েছে। ফলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে তা শুধু বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কই নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বার্তা দিতে পারে।

এখন চোখ দিল্লির দিকে দেখা যাক মোদি সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়।