ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

দেশপ্রেমিক সেনারা কখনোই আপোষ করবেন না”- দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 376

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ভিডিওবার্তায় দাবি করেছেন, “যেসব অফিসার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, তারা কখনোই আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আপোষ করবেন না।”

সোমবার (২৪ মার্চ) রাত পৌনে দুইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভিডিওটিতে ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে সেনা সদস্যদের বিভিন্ন কার্যকলাপ ও ভূমিকার দৃশ্য তুলে ধরা হয়। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “দেশপ্রেমিক অফিসাররা ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালাতে রাজি হননি।”

আরও পড়ুন  হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

তিনি আরও লেখেন, “আমরা সেই দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই, যারা গণবিচ্ছিন্ন আদেশ মানেননি। তারা কখনোই জাতিকে বিপদে ফেলে কোনো সুবিধাভোগী রাজনৈতিক দলের পুনর্বাসনে অংশ নেবেন না এটা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।”

হাসনাতের এ মন্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

এদিকে এনসিপি নেতার এমন বক্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে। দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জনের মধ্যেই এই বক্তব্যকে অনেকে দেখছেন একটি সচেতন প্রচারণা হিসেবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, “আমরা বিশ্বাস করি, দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী সব সময় গণমানুষের পাশে থাকবে।”

তবে এখনো এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে এমন স্পর্শকাতর বার্তা ছড়িয়ে পড়ার ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। ফলে সংবেদনশীল বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে এগোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশপ্রেমিক সেনারা কখনোই আপোষ করবেন না”- দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর

আপডেট সময় ০৪:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ভিডিওবার্তায় দাবি করেছেন, “যেসব অফিসার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, তারা কখনোই আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আপোষ করবেন না।”

সোমবার (২৪ মার্চ) রাত পৌনে দুইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভিডিওটিতে ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে সেনা সদস্যদের বিভিন্ন কার্যকলাপ ও ভূমিকার দৃশ্য তুলে ধরা হয়। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “দেশপ্রেমিক অফিসাররা ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালাতে রাজি হননি।”

আরও পড়ুন  হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

তিনি আরও লেখেন, “আমরা সেই দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই, যারা গণবিচ্ছিন্ন আদেশ মানেননি। তারা কখনোই জাতিকে বিপদে ফেলে কোনো সুবিধাভোগী রাজনৈতিক দলের পুনর্বাসনে অংশ নেবেন না এটা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।”

হাসনাতের এ মন্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

এদিকে এনসিপি নেতার এমন বক্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে। দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জনের মধ্যেই এই বক্তব্যকে অনেকে দেখছেন একটি সচেতন প্রচারণা হিসেবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, “আমরা বিশ্বাস করি, দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী সব সময় গণমানুষের পাশে থাকবে।”

তবে এখনো এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে এমন স্পর্শকাতর বার্তা ছড়িয়ে পড়ার ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। ফলে সংবেদনশীল বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে এগোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।