ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে রহস্যময় সংকেত: ডার্ক ম্যাটারের নতুন ইঙ্গিত?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 531

ছবি: সংগৃহীত

 

বিজ্ঞানীরা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রীয় আণবিক অঞ্চল থেকে এক রহস্যময় শক্তির সংকেত শনাক্ত করেছেন। এই শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও জানতে এখন গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি ডার্ক ম্যাটারের কোনো অজানা প্রভাবের ফল হতে পারে, যা আমাদের মহাবিশ্বের গঠন ও রহস্যময়তার এক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের বিজ্ঞানী শ্যাম বালাজি জানান, গ্যালাক্সির কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ পজিটিভ চার্জযুক্ত হাইড্রোজেনের মেঘ রয়েছে। সাধারণত গ্যাস নিরপেক্ষ থাকে, তবে এখানে ইলেকট্রন কোনোভাবে নেগেটিভ চার্জ ধারণের জন্য অতিরিক্ত শক্তি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে বিকিরণকারী শক্তি নিশ্চয়ই কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে আসছে, যা এখনো অজানা।’

আরও পড়ুন  মঙ্গলে গ্রহাণুর আঘাতে জীবনের সম্ভাবনা খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা

ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। এটি এমন এক রহস্যময় পদার্থ, যা আলোর সঙ্গে কোনো মিথস্ক্রিয়া করে না, তবে মহাকর্ষীয় প্রভাবে এর অস্তিত্ব অনুমান করা যায়। বিজ্ঞানীদের অনেকের বিশ্বাস, মিল্কিওয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ডার্ক ম্যাটারের রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

সবচেয়ে প্রচলিত তত্ত্ব অনুযায়ী, ডার্ক ম্যাটার উইকলি ইন্টারঅ্যাকটিং ম্যাসিভ পার্টিকেলস (WIMPs) নামক কণার মাধ্যমে গঠিত। বিজ্ঞানীদের মতে, ক্ষুদ্র ডার্ক ম্যাটার কণা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে এবং নতুন চার্জযুক্ত কণা উৎপন্ন করছে। এই নতুন কণা সম্ভবত হাইড্রোজেন গ্যাসকে আয়নিত করছে, যার ফলে মহাকাশে এই ব্যতিক্রমী বিকিরণ তৈরি হচ্ছে।

যেহেতু ডার্ক ম্যাটার এখনো সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তাই বিজ্ঞানীরা এই নতুন সংকেত বিশ্লেষণ করে এর প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। মহাবিশ্বের বৃহত্তম রহস্যগুলোর একটি এই ডার্ক ম্যাটার যদি এই সংকেত তার অস্তিত্বের কোনো নতুন ইঙ্গিত দেয়, তবে তা হবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে রহস্যময় সংকেত: ডার্ক ম্যাটারের নতুন ইঙ্গিত?

আপডেট সময় ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

বিজ্ঞানীরা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রীয় আণবিক অঞ্চল থেকে এক রহস্যময় শক্তির সংকেত শনাক্ত করেছেন। এই শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও জানতে এখন গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি ডার্ক ম্যাটারের কোনো অজানা প্রভাবের ফল হতে পারে, যা আমাদের মহাবিশ্বের গঠন ও রহস্যময়তার এক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের বিজ্ঞানী শ্যাম বালাজি জানান, গ্যালাক্সির কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ পজিটিভ চার্জযুক্ত হাইড্রোজেনের মেঘ রয়েছে। সাধারণত গ্যাস নিরপেক্ষ থাকে, তবে এখানে ইলেকট্রন কোনোভাবে নেগেটিভ চার্জ ধারণের জন্য অতিরিক্ত শক্তি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে বিকিরণকারী শক্তি নিশ্চয়ই কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে আসছে, যা এখনো অজানা।’

আরও পড়ুন  আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী অধ্যাপক সাইদুর রহমান

ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। এটি এমন এক রহস্যময় পদার্থ, যা আলোর সঙ্গে কোনো মিথস্ক্রিয়া করে না, তবে মহাকর্ষীয় প্রভাবে এর অস্তিত্ব অনুমান করা যায়। বিজ্ঞানীদের অনেকের বিশ্বাস, মিল্কিওয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ডার্ক ম্যাটারের রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

সবচেয়ে প্রচলিত তত্ত্ব অনুযায়ী, ডার্ক ম্যাটার উইকলি ইন্টারঅ্যাকটিং ম্যাসিভ পার্টিকেলস (WIMPs) নামক কণার মাধ্যমে গঠিত। বিজ্ঞানীদের মতে, ক্ষুদ্র ডার্ক ম্যাটার কণা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে এবং নতুন চার্জযুক্ত কণা উৎপন্ন করছে। এই নতুন কণা সম্ভবত হাইড্রোজেন গ্যাসকে আয়নিত করছে, যার ফলে মহাকাশে এই ব্যতিক্রমী বিকিরণ তৈরি হচ্ছে।

যেহেতু ডার্ক ম্যাটার এখনো সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তাই বিজ্ঞানীরা এই নতুন সংকেত বিশ্লেষণ করে এর প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। মহাবিশ্বের বৃহত্তম রহস্যগুলোর একটি এই ডার্ক ম্যাটার যদি এই সংকেত তার অস্তিত্বের কোনো নতুন ইঙ্গিত দেয়, তবে তা হবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।