ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে রহস্যময় সংকেত: ডার্ক ম্যাটারের নতুন ইঙ্গিত?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 448

ছবি: সংগৃহীত

 

বিজ্ঞানীরা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রীয় আণবিক অঞ্চল থেকে এক রহস্যময় শক্তির সংকেত শনাক্ত করেছেন। এই শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও জানতে এখন গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি ডার্ক ম্যাটারের কোনো অজানা প্রভাবের ফল হতে পারে, যা আমাদের মহাবিশ্বের গঠন ও রহস্যময়তার এক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের বিজ্ঞানী শ্যাম বালাজি জানান, গ্যালাক্সির কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ পজিটিভ চার্জযুক্ত হাইড্রোজেনের মেঘ রয়েছে। সাধারণত গ্যাস নিরপেক্ষ থাকে, তবে এখানে ইলেকট্রন কোনোভাবে নেগেটিভ চার্জ ধারণের জন্য অতিরিক্ত শক্তি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে বিকিরণকারী শক্তি নিশ্চয়ই কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে আসছে, যা এখনো অজানা।’

আরও পড়ুন  বেগম খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের পথে রওনা হয়েছেন।

ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। এটি এমন এক রহস্যময় পদার্থ, যা আলোর সঙ্গে কোনো মিথস্ক্রিয়া করে না, তবে মহাকর্ষীয় প্রভাবে এর অস্তিত্ব অনুমান করা যায়। বিজ্ঞানীদের অনেকের বিশ্বাস, মিল্কিওয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ডার্ক ম্যাটারের রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

সবচেয়ে প্রচলিত তত্ত্ব অনুযায়ী, ডার্ক ম্যাটার উইকলি ইন্টারঅ্যাকটিং ম্যাসিভ পার্টিকেলস (WIMPs) নামক কণার মাধ্যমে গঠিত। বিজ্ঞানীদের মতে, ক্ষুদ্র ডার্ক ম্যাটার কণা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে এবং নতুন চার্জযুক্ত কণা উৎপন্ন করছে। এই নতুন কণা সম্ভবত হাইড্রোজেন গ্যাসকে আয়নিত করছে, যার ফলে মহাকাশে এই ব্যতিক্রমী বিকিরণ তৈরি হচ্ছে।

যেহেতু ডার্ক ম্যাটার এখনো সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তাই বিজ্ঞানীরা এই নতুন সংকেত বিশ্লেষণ করে এর প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। মহাবিশ্বের বৃহত্তম রহস্যগুলোর একটি এই ডার্ক ম্যাটার যদি এই সংকেত তার অস্তিত্বের কোনো নতুন ইঙ্গিত দেয়, তবে তা হবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে রহস্যময় সংকেত: ডার্ক ম্যাটারের নতুন ইঙ্গিত?

আপডেট সময় ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

বিজ্ঞানীরা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রীয় আণবিক অঞ্চল থেকে এক রহস্যময় শক্তির সংকেত শনাক্ত করেছেন। এই শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও জানতে এখন গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি ডার্ক ম্যাটারের কোনো অজানা প্রভাবের ফল হতে পারে, যা আমাদের মহাবিশ্বের গঠন ও রহস্যময়তার এক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের বিজ্ঞানী শ্যাম বালাজি জানান, গ্যালাক্সির কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ পজিটিভ চার্জযুক্ত হাইড্রোজেনের মেঘ রয়েছে। সাধারণত গ্যাস নিরপেক্ষ থাকে, তবে এখানে ইলেকট্রন কোনোভাবে নেগেটিভ চার্জ ধারণের জন্য অতিরিক্ত শক্তি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে বিকিরণকারী শক্তি নিশ্চয়ই কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে আসছে, যা এখনো অজানা।’

আরও পড়ুন  মঙ্গলে গ্রহাণুর আঘাতে জীবনের সম্ভাবনা খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা

ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। এটি এমন এক রহস্যময় পদার্থ, যা আলোর সঙ্গে কোনো মিথস্ক্রিয়া করে না, তবে মহাকর্ষীয় প্রভাবে এর অস্তিত্ব অনুমান করা যায়। বিজ্ঞানীদের অনেকের বিশ্বাস, মিল্কিওয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ডার্ক ম্যাটারের রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

সবচেয়ে প্রচলিত তত্ত্ব অনুযায়ী, ডার্ক ম্যাটার উইকলি ইন্টারঅ্যাকটিং ম্যাসিভ পার্টিকেলস (WIMPs) নামক কণার মাধ্যমে গঠিত। বিজ্ঞানীদের মতে, ক্ষুদ্র ডার্ক ম্যাটার কণা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে এবং নতুন চার্জযুক্ত কণা উৎপন্ন করছে। এই নতুন কণা সম্ভবত হাইড্রোজেন গ্যাসকে আয়নিত করছে, যার ফলে মহাকাশে এই ব্যতিক্রমী বিকিরণ তৈরি হচ্ছে।

যেহেতু ডার্ক ম্যাটার এখনো সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তাই বিজ্ঞানীরা এই নতুন সংকেত বিশ্লেষণ করে এর প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। মহাবিশ্বের বৃহত্তম রহস্যগুলোর একটি এই ডার্ক ম্যাটার যদি এই সংকেত তার অস্তিত্বের কোনো নতুন ইঙ্গিত দেয়, তবে তা হবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।