ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ট্রুডো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 384

ছবি: সংগৃহীত

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মার্ক কার্নি। এর মাধ্যমে দেশটিতে জাস্টিন ট্রুডোর দীর্ঘ প্রায় এক দশকের শাসনের পর নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হলো।

রবিবার (৯ মার্চ) রাতে কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন কার্নি। নিয়ম অনুযায়ী, লিবারেল পার্টির প্রধান হওয়ায় তিনিই কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো শিগগিরই তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

আরও পড়ুন  ‘কানাডা বিক্রির জন্য নয়': ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির স্পষ্ট বার্তা

লিবারেল পার্টির নতুন নেতা নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দলীয় ভোটাভুটিতে মার্ক কার্নি ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিনা ফ্রিল্যান্ড পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ১৩৪ ভোট, যা কার্নির বিপুল জনপ্রিয়তার প্রমাণ বহন করে।

রবিবার রাতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্নির নাম ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি কানাডার ২৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে এগিয়ে গেলেন।

মার্ক কার্নি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দেন। তার গভীর অর্থনৈতিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে তাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে নবাগত হলেও তার নেতৃত্বদানের সামর্থ্য তাকে জনপ্রিয় করেছে।

টানা নয় বছর ক্ষমতায় থাকার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন জাস্টিন ট্রুডো। এরপর থেকেই লিবারেল পার্টির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। দলের শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সঙ্গে কানাডার রাজনৈতিক দৃশ্যপটেও বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থায় হাউস অব কমন্সে সবচেয়ে বড় দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হন। সেই নিয়ম অনুসারে, লিবারেল পার্টির প্রধান হওয়ায় কার্নিই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অভিজ্ঞ ব্যাংকার থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া কার্নির জন্য এটি এক নতুন চ্যালেঞ্জ। তার নেতৃত্বে কানাডার রাজনীতি এবং অর্থনীতি কীভাবে এগিয়ে যাবে, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রুডো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি

আপডেট সময় ১১:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মার্ক কার্নি। এর মাধ্যমে দেশটিতে জাস্টিন ট্রুডোর দীর্ঘ প্রায় এক দশকের শাসনের পর নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হলো।

রবিবার (৯ মার্চ) রাতে কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন কার্নি। নিয়ম অনুযায়ী, লিবারেল পার্টির প্রধান হওয়ায় তিনিই কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো শিগগিরই তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

আরও পড়ুন  কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির শক্ত প্রতিশ্রুতি: ‘আমরা কখনো যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হব না’

লিবারেল পার্টির নতুন নেতা নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দলীয় ভোটাভুটিতে মার্ক কার্নি ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিনা ফ্রিল্যান্ড পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ১৩৪ ভোট, যা কার্নির বিপুল জনপ্রিয়তার প্রমাণ বহন করে।

রবিবার রাতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্নির নাম ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি কানাডার ২৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে এগিয়ে গেলেন।

মার্ক কার্নি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দেন। তার গভীর অর্থনৈতিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে তাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে নবাগত হলেও তার নেতৃত্বদানের সামর্থ্য তাকে জনপ্রিয় করেছে।

টানা নয় বছর ক্ষমতায় থাকার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন জাস্টিন ট্রুডো। এরপর থেকেই লিবারেল পার্টির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। দলের শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সঙ্গে কানাডার রাজনৈতিক দৃশ্যপটেও বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থায় হাউস অব কমন্সে সবচেয়ে বড় দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হন। সেই নিয়ম অনুসারে, লিবারেল পার্টির প্রধান হওয়ায় কার্নিই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অভিজ্ঞ ব্যাংকার থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া কার্নির জন্য এটি এক নতুন চ্যালেঞ্জ। তার নেতৃত্বে কানাডার রাজনীতি এবং অর্থনীতি কীভাবে এগিয়ে যাবে, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।