ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইউরোপের নতুন সামরিক শক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার অস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 369

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপ ঘোষণা করেছে যে, তারা আবারও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে অস্ত্র হাতে নেবে। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেয়েন এক প্রবন্ধে বলেন, “ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে, এবং এর জন্য ৮০০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক খাতে ব্যয় করতে হবে।”

ব্রাসেলসে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে এক গভীর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময় ইউরোপকে একত্রিত হয়ে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অস্ত্র হাতে নেওয়ার সময় এসেছে।”

আরও পড়ুন  ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট; সংসদ অধিবেশনে ধর্মমন্ত্রীর ঘোষণা

এই ঘোষণার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে একটি বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ইউরোপের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন ঘোষণা করেছে যে, নতুন সামরিক পরিকল্পনার আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক শিল্প ও অস্ত্র উৎপাদনে বিনিয়োগ এবং ইউরোপীয় সেনাদের যুদ্ধের জন্য আরও দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বিশ্বের শক্তির ভারসাম্যে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ন্যাটো, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া এই সিদ্ধান্তের প্রতি গভীর মনোযোগ দিচ্ছে। ইউরোপের এই নতুন সামরিক নীতি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, যা বিশ্ব নিরাপত্তার নতুন চিত্র সৃষ্টি করবে।

বিশ্বের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপের এই পদক্ষেপকে একটি বড় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপের নতুন সামরিক শক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার অস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘোষণা

আপডেট সময় ১২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপ ঘোষণা করেছে যে, তারা আবারও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে অস্ত্র হাতে নেবে। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেয়েন এক প্রবন্ধে বলেন, “ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে, এবং এর জন্য ৮০০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক খাতে ব্যয় করতে হবে।”

ব্রাসেলসে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে এক গভীর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময় ইউরোপকে একত্রিত হয়ে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অস্ত্র হাতে নেওয়ার সময় এসেছে।”

আরও পড়ুন  তীব্র গরমে বিপর্যস্ত ইউরোপ: ৩টি দেশে ৩ হাজারের হিটস্ট্রোকে মৃত্যু

এই ঘোষণার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে একটি বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ইউরোপের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন ঘোষণা করেছে যে, নতুন সামরিক পরিকল্পনার আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক শিল্প ও অস্ত্র উৎপাদনে বিনিয়োগ এবং ইউরোপীয় সেনাদের যুদ্ধের জন্য আরও দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বিশ্বের শক্তির ভারসাম্যে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ন্যাটো, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া এই সিদ্ধান্তের প্রতি গভীর মনোযোগ দিচ্ছে। ইউরোপের এই নতুন সামরিক নীতি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, যা বিশ্ব নিরাপত্তার নতুন চিত্র সৃষ্টি করবে।

বিশ্বের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপের এই পদক্ষেপকে একটি বড় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি করবে।