ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ইউরোপের নতুন সামরিক শক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার অস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 206

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপ ঘোষণা করেছে যে, তারা আবারও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে অস্ত্র হাতে নেবে। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেয়েন এক প্রবন্ধে বলেন, “ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে, এবং এর জন্য ৮০০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক খাতে ব্যয় করতে হবে।”

ব্রাসেলসে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে এক গভীর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময় ইউরোপকে একত্রিত হয়ে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অস্ত্র হাতে নেওয়ার সময় এসেছে।”

আরও পড়ুন  আজ এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা: গুরুত্বে সুশাসন ও সংস্কার

এই ঘোষণার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে একটি বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ইউরোপের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন ঘোষণা করেছে যে, নতুন সামরিক পরিকল্পনার আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক শিল্প ও অস্ত্র উৎপাদনে বিনিয়োগ এবং ইউরোপীয় সেনাদের যুদ্ধের জন্য আরও দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বিশ্বের শক্তির ভারসাম্যে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ন্যাটো, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া এই সিদ্ধান্তের প্রতি গভীর মনোযোগ দিচ্ছে। ইউরোপের এই নতুন সামরিক নীতি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, যা বিশ্ব নিরাপত্তার নতুন চিত্র সৃষ্টি করবে।

বিশ্বের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপের এই পদক্ষেপকে একটি বড় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপের নতুন সামরিক শক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার অস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘোষণা

আপডেট সময় ১২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপ ঘোষণা করেছে যে, তারা আবারও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে অস্ত্র হাতে নেবে। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেয়েন এক প্রবন্ধে বলেন, “ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে, এবং এর জন্য ৮০০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক খাতে ব্যয় করতে হবে।”

ব্রাসেলসে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে এক গভীর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময় ইউরোপকে একত্রিত হয়ে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অস্ত্র হাতে নেওয়ার সময় এসেছে।”

আরও পড়ুন  গাজায় ইউরোপীয় হাসপাতালে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২৮ জন

এই ঘোষণার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে একটি বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ইউরোপের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন ঘোষণা করেছে যে, নতুন সামরিক পরিকল্পনার আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক শিল্প ও অস্ত্র উৎপাদনে বিনিয়োগ এবং ইউরোপীয় সেনাদের যুদ্ধের জন্য আরও দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বিশ্বের শক্তির ভারসাম্যে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ন্যাটো, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া এই সিদ্ধান্তের প্রতি গভীর মনোযোগ দিচ্ছে। ইউরোপের এই নতুন সামরিক নীতি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, যা বিশ্ব নিরাপত্তার নতুন চিত্র সৃষ্টি করবে।

বিশ্বের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপের এই পদক্ষেপকে একটি বড় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি করবে।