ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ: ইসরায়েলের দখলদারিত্ব আরও বাড়ছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 274

ছবি: সংগৃহীত

 

পশ্চিম তীরের ভূমি দখল ও বসতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইসরায়েল তার দখলদার নীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা (পিএলও) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বর্তমানে পশ্চিম তীরের ৪৪.৫% এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা দিনে দিনে আরও বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইসরায়েল নতুন পাঁচটি বসতি ও ৫০টি সামরিক চৌকি স্থাপন করেছে। ১৯৯৫ সালের পর থেকে এই অঞ্চলে বসতির সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে এবং এখন প্রায় ৭৪ লাখ ইসরায়েলি অবৈধভাবে বসবাস করছে। জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে ঘোষণা করলেও, তেল আবিব সরকার নির্বিচারে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থী ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় সহিংসতা শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের গতি আরও বেড়েছে। সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরকে সরাসরি সংযুক্ত করার কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প ৪ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতিতে জানান, তার প্রশাসন শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, এ ধরনের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের দাবিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও রাষ্ট্রসমূহ ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নীতির তীব্র নিন্দা জানালেও, কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে দখলদারিত্বের মাত্রা বাড়ছে। পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দমন-পীড়ন, জমি বাজেয়াপ্তকরণ ও বসতি স্থাপনের মাধ্যমে অঞ্চলটির ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ: ইসরায়েলের দখলদারিত্ব আরও বাড়ছে

আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

পশ্চিম তীরের ভূমি দখল ও বসতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইসরায়েল তার দখলদার নীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা (পিএলও) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বর্তমানে পশ্চিম তীরের ৪৪.৫% এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা দিনে দিনে আরও বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইসরায়েল নতুন পাঁচটি বসতি ও ৫০টি সামরিক চৌকি স্থাপন করেছে। ১৯৯৫ সালের পর থেকে এই অঞ্চলে বসতির সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে এবং এখন প্রায় ৭৪ লাখ ইসরায়েলি অবৈধভাবে বসবাস করছে। জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে ঘোষণা করলেও, তেল আবিব সরকার নির্বিচারে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: খামেনি

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় সহিংসতা শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের গতি আরও বেড়েছে। সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরকে সরাসরি সংযুক্ত করার কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প ৪ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতিতে জানান, তার প্রশাসন শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, এ ধরনের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের দাবিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও রাষ্ট্রসমূহ ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নীতির তীব্র নিন্দা জানালেও, কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে দখলদারিত্বের মাত্রা বাড়ছে। পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দমন-পীড়ন, জমি বাজেয়াপ্তকরণ ও বসতি স্থাপনের মাধ্যমে অঞ্চলটির ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।