ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

কক্সবাজারে সরিষা চাষে কৃষকদের নতুন সম্ভাবনা: আবাদ বাড়ানোর পরিকল্পনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 445

ছবি সংগৃহীত

 

একসময় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ফসলি জমিতে শুধু ধান চাষ হতো, কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। কৃষকেরা ফসলি জমিকে চার ফসলি করে তুলতে রবিশস্যের দিকে ঝুঁকছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে শর্ষে চাষ।

গত বছর প্রথমবারের মতো টেকনাফ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে শর্ষে চাষ শুরু হয়। মাত্র ৭০ হেক্টর জমিতে এই চাষ হয়েছিল, কিন্তু ফলন এবং লাভের দিকে তাকিয়ে এ বছর জমি দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে ১২০ হেক্টর জমিতে শর্ষে চাষ হয়েছে।

আরও পড়ুন  পুতিনের মাধ্যমে ইরান-আমেরিকা পরমাণু আলোচনা নিয়ে নতুন সম্ভাবনা

কৃষকেরা জানিয়েছেন, শর্ষে চাষের ফলে ভালো ফলন এবং লাভ মিলছে। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমাপাড়া এলাকার কৃষক লাকিংউ চাকমা বলেন, “আগে আমন ধান কাটার পর জমি খালি পড়ে থাকতো, কিন্তু এখন শর্ষে চাষ করে আমি ভালো লাভ পাচ্ছি।” তার মতে, শর্ষের তেলের বাজারমূল্যও ভালো, এবং খৈল গরুর খাবারের জন্য ব্যবহার করা যায়, যা বাড়তি আয় এনে দেয়।

এতাইন চাকমা বলেন, “এক একর জমিতে শর্ষে চাষে ৫-১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, তবে ফলন খুব ভালো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, প্রতি কেজি শর্ষে ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়, এবং এক কেজি তেল পাওয়া যায় তিন কেজি শর্ষে থেকে।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, “শর্ষে চাষের ফলে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। আর্থিকভাবে লাভজনক হওয়ায় অনেক কৃষক শর্ষে চাষ করেছেন।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম কুতুবী জানান, আগামী মৌসুমে শর্ষের চাষ আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকার কৃষকদের শর্ষে চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনা মূল্যে সার এবং বীজ বিতরণ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে সরিষা চাষে কৃষকদের নতুন সম্ভাবনা: আবাদ বাড়ানোর পরিকল্পনা

আপডেট সময় ০১:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

একসময় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ফসলি জমিতে শুধু ধান চাষ হতো, কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। কৃষকেরা ফসলি জমিকে চার ফসলি করে তুলতে রবিশস্যের দিকে ঝুঁকছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে শর্ষে চাষ।

গত বছর প্রথমবারের মতো টেকনাফ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে শর্ষে চাষ শুরু হয়। মাত্র ৭০ হেক্টর জমিতে এই চাষ হয়েছিল, কিন্তু ফলন এবং লাভের দিকে তাকিয়ে এ বছর জমি দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে ১২০ হেক্টর জমিতে শর্ষে চাষ হয়েছে।

আরও পড়ুন  আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী

কৃষকেরা জানিয়েছেন, শর্ষে চাষের ফলে ভালো ফলন এবং লাভ মিলছে। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমাপাড়া এলাকার কৃষক লাকিংউ চাকমা বলেন, “আগে আমন ধান কাটার পর জমি খালি পড়ে থাকতো, কিন্তু এখন শর্ষে চাষ করে আমি ভালো লাভ পাচ্ছি।” তার মতে, শর্ষের তেলের বাজারমূল্যও ভালো, এবং খৈল গরুর খাবারের জন্য ব্যবহার করা যায়, যা বাড়তি আয় এনে দেয়।

এতাইন চাকমা বলেন, “এক একর জমিতে শর্ষে চাষে ৫-১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, তবে ফলন খুব ভালো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, প্রতি কেজি শর্ষে ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়, এবং এক কেজি তেল পাওয়া যায় তিন কেজি শর্ষে থেকে।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, “শর্ষে চাষের ফলে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। আর্থিকভাবে লাভজনক হওয়ায় অনেক কৃষক শর্ষে চাষ করেছেন।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম কুতুবী জানান, আগামী মৌসুমে শর্ষের চাষ আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকার কৃষকদের শর্ষে চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনা মূল্যে সার এবং বীজ বিতরণ করছে।