ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেনকে ছাড়াই সৌদি আরবে শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 141

ছবি সংগৃহীত

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তিন বছর পর, সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য হলো ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের অবসান। তবে এ আলোচনায় ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

১৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা গেছে, ইউক্রেনের একটি উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলগ আগেই জানিয়েছিলেন, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কিয়েভের প্রতিনিধি থাকবেন। তবে সূত্র জানাচ্ছে, ইউক্রেনের কোনো প্রতিনিধি এই আলোচনায় অংশ নেবেন না।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ আমার চেনা দেশ, ফিরতে পেরে আনন্দিত : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

এদিকে, ইউরোপীয় নেতাদেরও এই শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এরই মধ্যে, সোমবার প্যারিসে ইউরোপীয় নেতাদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফ নিশ্চিত করেছেন যে, ইউক্রেনের সংঘাত বন্ধে এই প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়ালজ এবং স্টিভ উইটকফ অংশ নেবেন। তারা রোববার রাতে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

তবে রাশিয়া থেকে কারা এই বৈঠকে অংশ নেবেন তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই আলোচনা ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইউক্রেন সংকটের মধ্যে, ইউরোপীয় নেতারা সোমবার প্যারিসে একটি সম্মেলন করবেন, যেখানে ইউরোপের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা হবে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার উল্লেখ করেছেন, ন্যাটোতে ইউরোপের ভূমিকা বাড়ানোর প্রয়োজন, বিশেষ করে রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনকে ছাড়াই সৌদি আরবে শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া!

আপডেট সময় ১২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তিন বছর পর, সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য হলো ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের অবসান। তবে এ আলোচনায় ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

১৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা গেছে, ইউক্রেনের একটি উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলগ আগেই জানিয়েছিলেন, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কিয়েভের প্রতিনিধি থাকবেন। তবে সূত্র জানাচ্ছে, ইউক্রেনের কোনো প্রতিনিধি এই আলোচনায় অংশ নেবেন না।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন সংকট নিরসনে ট্রাম্প-পুতিনের আলোচনার নতুন সম্ভাবনা, ভূমি ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা

এদিকে, ইউরোপীয় নেতাদেরও এই শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এরই মধ্যে, সোমবার প্যারিসে ইউরোপীয় নেতাদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফ নিশ্চিত করেছেন যে, ইউক্রেনের সংঘাত বন্ধে এই প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়ালজ এবং স্টিভ উইটকফ অংশ নেবেন। তারা রোববার রাতে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

তবে রাশিয়া থেকে কারা এই বৈঠকে অংশ নেবেন তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই আলোচনা ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইউক্রেন সংকটের মধ্যে, ইউরোপীয় নেতারা সোমবার প্যারিসে একটি সম্মেলন করবেন, যেখানে ইউরোপের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা হবে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার উল্লেখ করেছেন, ন্যাটোতে ইউরোপের ভূমিকা বাড়ানোর প্রয়োজন, বিশেষ করে রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায়।