ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
খনি ধস

মালিতে সোনার খনি ধসে ৪৮ জনের প্রাণহানি, উদ্ধারকাজ চলছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 338

ছবি সংগৃহীত

 

মালির পশ্চিমাঞ্চলে একটি অবৈধ সোনার খনি ধসে পড়ে অন্তত ৪৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে, যা বিভিন্ন প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও তার ছোট শিশুও রয়েছেন, যিনি মায়ের পিঠে বাঁধা ছিলেন।

মালি, আফ্রিকার সোনার উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলোর অন্যতম, তবে এখানে প্রায়ই খনিতে ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সোনার খনি শ্রমিকরা প্রায়শই বিপজ্জনক পরিবেশে কাজ করেন, এবং প্রায়ই অনিরাপদ খনি থেকে সোনা উত্তোলন করেন। মালির খনির অধিকাংশই অবৈধ, এবং গতকালের যে খনিটি ধসে পড়েছে, সেটিও বহু আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আইএইএ’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, অবৈধ খনিগুলোর নিয়ন্ত্রণে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। দেশে মানুষের জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত নিচে, আর অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে খনি থেকে সোনা উত্তোলন করেন। এ ধরনের খনিগুলোতে সাধারণত কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকে না, ফলে শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন।

উদ্ধারকর্মীরা এখনও ধ্বংসাবশেষের ভেতর থেকে মৃতদেহ বের করার চেষ্টা করছেন। ‘কেনিয়েবা গোল্ড মাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ এই দুর্ঘটনায় ৪৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। এদিকে, পরিবেশবাদী সংগঠনের এক নেতা জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ চলছে এবং সেখানে একাধিক উদ্ধারকারী দল কাজ করছে।

মালির খনি শিল্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে, যেখানে সোনার খনি শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং জীবন রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সমাধান দরকার।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

খনি ধস

মালিতে সোনার খনি ধসে ৪৮ জনের প্রাণহানি, উদ্ধারকাজ চলছে

আপডেট সময় ০৭:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মালির পশ্চিমাঞ্চলে একটি অবৈধ সোনার খনি ধসে পড়ে অন্তত ৪৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে, যা বিভিন্ন প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও তার ছোট শিশুও রয়েছেন, যিনি মায়ের পিঠে বাঁধা ছিলেন।

মালি, আফ্রিকার সোনার উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলোর অন্যতম, তবে এখানে প্রায়ই খনিতে ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সোনার খনি শ্রমিকরা প্রায়শই বিপজ্জনক পরিবেশে কাজ করেন, এবং প্রায়ই অনিরাপদ খনি থেকে সোনা উত্তোলন করেন। মালির খনির অধিকাংশই অবৈধ, এবং গতকালের যে খনিটি ধসে পড়েছে, সেটিও বহু আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  টঙ্গী-জয়দেবপুর রুটে রেললাইন বেঁকে গেল, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ১২০০ যাত্রী

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, অবৈধ খনিগুলোর নিয়ন্ত্রণে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। দেশে মানুষের জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত নিচে, আর অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে খনি থেকে সোনা উত্তোলন করেন। এ ধরনের খনিগুলোতে সাধারণত কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকে না, ফলে শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন।

উদ্ধারকর্মীরা এখনও ধ্বংসাবশেষের ভেতর থেকে মৃতদেহ বের করার চেষ্টা করছেন। ‘কেনিয়েবা গোল্ড মাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ এই দুর্ঘটনায় ৪৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। এদিকে, পরিবেশবাদী সংগঠনের এক নেতা জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ চলছে এবং সেখানে একাধিক উদ্ধারকারী দল কাজ করছে।

মালির খনি শিল্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে, যেখানে সোনার খনি শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং জীবন রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সমাধান দরকার।