ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সীতাকুণ্ডে রেললাইনে কাজ করার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে কর্মীর মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 143

 

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড রেলস্টেশন এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক রেলওয়ে কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নিচে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম রফিকুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশ রেলওয়েতে ‘ওয়েম্যান’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রফিকুলের স্থায়ী নিবাস চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার করের হাট এলাকায়।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সংকট সামাল দিতে অফিস ও মার্কেট বন্ধের নতুন সময় ঘোষণা

সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড রেলস্টেশনের মাস্টার রাজ কুমার রায় দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার সময় রফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন কর্মী রেললাইনের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পাথর যথাযথ স্থানে বিন্যস্ত করার কাজ করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানা গেছে, কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত রফিকুল চলন্ত মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের সামনে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। স্টেশনমাস্টার রাজ কুমার রায় আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহটি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফনের উদ্দেশ্যে মরদেহটি তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানানো হয়েছে।

নিহত রফিকুল ইসলামের সহকর্মীদের মধ্যে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রেললাইনে সংস্কার কাজ চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সচেতনতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সীতাকুণ্ডে রেললাইনে কাজ করার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে কর্মীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৫:১২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড রেলস্টেশন এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক রেলওয়ে কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নিচে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম রফিকুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশ রেলওয়েতে ‘ওয়েম্যান’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রফিকুলের স্থায়ী নিবাস চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার করের হাট এলাকায়।

আরও পড়ুন  পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড রেলস্টেশনের মাস্টার রাজ কুমার রায় দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার সময় রফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন কর্মী রেললাইনের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পাথর যথাযথ স্থানে বিন্যস্ত করার কাজ করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানা গেছে, কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত রফিকুল চলন্ত মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের সামনে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। স্টেশনমাস্টার রাজ কুমার রায় আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহটি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফনের উদ্দেশ্যে মরদেহটি তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানানো হয়েছে।

নিহত রফিকুল ইসলামের সহকর্মীদের মধ্যে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রেললাইনে সংস্কার কাজ চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সচেতনতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।