ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউরোপের অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে ভ্যান্সের হুঁশিয়ারি “বাইরের নয়, ইউরোপের আসল হুমকি ভেতর থেকেই”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 432

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইউরোপের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, ইউরোপের সবচেয়ে বড় হুমকি কোনো বাইরের শক্তি নয়, বরং নিজস্ব অভ্যন্তরীণ সংকট।

ভ্যান্স ইউরোপীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক কঠোরতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ ও অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন। তার মতে, ইউরোপের নীতিগুলো তাদের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ থেকে সরে যাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে মেসির বিরুদ্ধে মামলা

ভ্যান্স রোমানিয়ার সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “গণতন্ত্র যদি বাইরের চাপের কাছে এতটাই দুর্বল হয়, তবে সেটিকে গণতন্ত্র বলা যায় না।”

তিনি ইউরোপীয় সরকারগুলোর বিরুদ্ধে ডানপন্থি দলগুলোর ওপর অবাঞ্ছিত নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ আনেন। তার মতে, জনগণের কণ্ঠস্বর দমিয়ে রাখার যেকোনো প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

ভ্যান্স ইউরোপে অভিবাসন নীতির প্রতি কড়া সমালোচনা করে বলেন, “অবৈধ অভিবাসন এখন সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি সম্প্রতি মিউনিখে এক আফগান অভিবাসীর হামলার উদাহরণ টেনে আনেন, যা ইউরোপের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বোঝায়।

ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের একটি “বাস্তবসম্মত সমাধান” চায় এবং ইউরোপের উচিত নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। তবে তার মন্তব্য ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অবস্থান ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপের অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে ভ্যান্সের হুঁশিয়ারি “বাইরের নয়, ইউরোপের আসল হুমকি ভেতর থেকেই”

আপডেট সময় ১০:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইউরোপের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, ইউরোপের সবচেয়ে বড় হুমকি কোনো বাইরের শক্তি নয়, বরং নিজস্ব অভ্যন্তরীণ সংকট।

ভ্যান্স ইউরোপীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক কঠোরতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ ও অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন। তার মতে, ইউরোপের নীতিগুলো তাদের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ থেকে সরে যাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিরসনে আলোচনা ও কূটনৈতিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ: ইরানের প্রেসিডেন্ট

ভ্যান্স রোমানিয়ার সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “গণতন্ত্র যদি বাইরের চাপের কাছে এতটাই দুর্বল হয়, তবে সেটিকে গণতন্ত্র বলা যায় না।”

তিনি ইউরোপীয় সরকারগুলোর বিরুদ্ধে ডানপন্থি দলগুলোর ওপর অবাঞ্ছিত নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ আনেন। তার মতে, জনগণের কণ্ঠস্বর দমিয়ে রাখার যেকোনো প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

ভ্যান্স ইউরোপে অভিবাসন নীতির প্রতি কড়া সমালোচনা করে বলেন, “অবৈধ অভিবাসন এখন সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি সম্প্রতি মিউনিখে এক আফগান অভিবাসীর হামলার উদাহরণ টেনে আনেন, যা ইউরোপের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বোঝায়।

ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের একটি “বাস্তবসম্মত সমাধান” চায় এবং ইউরোপের উচিত নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। তবে তার মন্তব্য ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অবস্থান ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে।